১৪/১১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৫৯ - বিসাল নিষেধের অনুরূপ হাদিস
সওমে বিসাল বা বিরতিহীনভাবে সওম পালন করা নিষিদ্ধ
সাওমে বিসাল নিষেধের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ২৪৫৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৫৯
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ نَهَى عَنِ الْوِصَالِ .بِمِثْلِ حَدِيثِ عُمَارَةَ عَنْ أَبِي زُرْعَةَ .>
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি সাওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এরপর বর্ণনাকারী আবূ যুর’আহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা. ২৪৩৬, ই.সে. ২৪৩৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم সাওমে বিসাল করতে নিষেধ করেছেন। এরপর বর্ণনাকারী আবু যুরআহ (রহ.) থেকে বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ অর্থ উল্লেখ করেন। তাই এই হাদিস নতুন কোনো আলাদা ঘটনা নয়; বরং একই বিষয়ের আরেকটি বর্ণনা। এর মূল বিষয় হলো সাওমে বিসাল থেকে বিরত থাকা। আগের বর্ণনাগুলোর আলোকে বোঝা যায়, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সাধারণ মানুষকে ধারাবাহিকভাবে পানাহার ছাড়া রোজা চালিয়ে যেতে বলেননি। তিনি নিজের বিশেষ অবস্থার কথা বলেছেন এবং উম্মতকে সামর্থ্য অনুযায়ী আমলের পথ দেখিয়েছেন। এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রোজা ইবাদত হলেও তা নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশিত সীমার মধ্যে পালন করতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাওমে বিসাল করতে নিষেধের মূল শিক্ষা এখানে পুনরায় এসেছে।
- এই বর্ণনা আগের হাদিসের অনুরূপ অর্থ বহন করে।
- রোজার আমলে নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশিত সীমা মানা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও একই বিধান বোঝাতে সহায়ক হতে পারে।
