১৪/১২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৬৮ - সাওমে স্পর্শের আদব
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয়
সাওমে স্ত্রীর স্পর্শ: সংযমের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২৪৬৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৬৮
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ كَانَ يُبَاشِرُ وَهُوَ صَائِمٌ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাওমের অবস্থায় (স্ত্রীদেরকে) স্পর্শ করতেন।
ই.ফা. ২৪৪৫, ই.সে. ২৪৪৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সাওম অবস্থায় স্ত্রীদের স্পর্শ করতেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত হলেও এর শিক্ষা গভীর। সাওম শুধু না খাওয়া বা না পান করার নাম নয়; এটি আত্মসংযম ও নিয়ন্ত্রণের ইবাদত। রোজা অবস্থায় স্ত্রীকে স্পর্শ করা বিষয়ে মানুষ সাধারণত জানতে চায়—এটি কি সরাসরি নিষিদ্ধ, নাকি নিজের অবস্থার ওপর নির্ভর করে বোঝার বিষয়। এই হাদিস থেকে দেখা যায়, রাসূল صلى الله عليه وسلم এমন করেছেন। তবে একই বিষয়ের অন্য বর্ণনায় এসেছে, তিনি প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে সবার চেয়ে বেশি সক্ষম ছিলেন। তাই হাদিসটি সাওমে স্পর্শের আদব, দাম্পত্য আচরণ এবং নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার শিক্ষা দেয়। এটি অসতর্কতার দরজা খুলে দেয় না; বরং সীমা রক্ষা করে আচরণের শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাওম অবস্থায় দাম্পত্য আচরণে সংযম ও সতর্কতা দরকার।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর আমল বুঝতে সংশ্লিষ্ট বর্ণনাগুলো একসাথে দেখা উচিত।
- নিজের প্রবৃত্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে সাবধান থাকা প্রয়োজন।
- রোজার মর্যাদা রক্ষা করা মুমিনের দায়িত্ব।
