১৪/১২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৭৫ - নবী صلى الله عليه وسلم-এর সাওমে চুমু
কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয়
নবী صلى الله عليه وسلم সাওম অবস্থায় চুমু দিতেন
সহীহ মুসলিম : ২৪৭৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৪৭৫
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يُقَبِّلُ وَهُوَ صَائِمٌ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) সাওমের অবস্থায় (স্ত্রীদেরকে) চুমু দিতেন।
ই.ফা. ২৪৫২, ই.সে. ২৪৫১
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৪৭৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে নবী صلى الله عليه وسلم সাওম অবস্থায় চুমু দিতেন। এটি একই বিষয়ের আরেকটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। রোজা অবস্থায় চুমু দেওয়া বিষয়ে যারা সহজ উত্তর খোঁজেন, তাদের মনে রাখা দরকার—হাদিসের ভাষা শুধু কাজটি বলেছে, কিন্তু একই বিষয়ের অন্যান্য বর্ণনা আত্মসংযমের দিকটি স্পষ্ট করেছে। রাসূল صلى الله عليه وسلم নিজের প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে সবার চেয়ে বেশি সক্ষম ছিলেন। তাই সাওমে চুমু, রোজার সময় দাম্পত্য আচরণ এবং রমজানে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক—এসব বিষয়ে এই বর্ণনাকে সতর্কতার সঙ্গে বোঝা দরকার। হাদিসটি আমাদের শেখায়, নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল ভালোবাসার সাথে গ্রহণ করতে হবে, আবার নিজের দুর্বলতা ও রোজার মর্যাদাও ভুলে যাওয়া যাবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল জানা রোজার আদব বুঝতে সাহায্য করে।
- সাওমে চুমুর বিষয়ে আত্মসংযমের দিকটি গুরুত্বপূর্ণ।
- নিজের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা বিবেচনা করা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে বড় দাবি করা উচিত নয়।
