১৪/২২. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫৬৪ - ফিতর ও নহরের দিনে সাওম নিষেধ

‘ঈদুল ফিতর ও ‘ঈদুল আযহার দিনে সিয়াম পালন করা হারাম

ফিতর ও নহরের দিনে সাওম নিষিদ্ধ

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৫৬৪

وَحَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْمُخْتَارِ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ النَّحْرِ ‏.

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুটি দিন সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেনঃ ঈদুল ফিতরের দিন এবং কুরবানীর ঈদের দিন।

ই. ফা. ২৫৪১ই. সে. ২৫৪০

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৫৬৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধ খুব সংক্ষেপে এসেছে। আবু সাঈদ খুদরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দুইটি দিন সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন—ঈদুল ফিতরের দিন এবং ইয়াওমুন নাহর বা কুরবানির ঈদের দিন। এই বর্ণনা ঈদের দিনের সাওম নিষেধ বিষয়ে আগের হাদিসগুলোর সঙ্গে একই মূল শিক্ষা দেয়। এতে বোঝা যায়, সাওম একটি বড় ইবাদত হলেও সব দিন তা পালনের দিন নয়। ঈদুল ফিতর রমজানের সাওম শেষ হওয়ার দিন, আর কুরবানির দিন কুরবানির আমলের সঙ্গে যুক্ত। তবে এই হাদিসের মূল বক্তব্য হলো—এই দুই দিনে সাওম নয়। তাই ঈদের দিনে রোজা রাখা যাবে কি না, এ বিষয়ে এটি সরাসরি প্রমাণ হিসেবে আলোচিত হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ঈদুল ফিতরের দিনে সাওম নিষেধ।
  • কুরবানির ঈদের দিনেও সাওম নিষেধ।
  • একই বিধান একাধিক বর্ণনায় এসেছে।
  • ইবাদত করতে হলে নিষিদ্ধ সময় থেকে বিরত থাকতে হয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন