১৪/৩৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৬২৭ - অতিরিক্ত সাওমে ক্লান্তির সতর্কতা
সারা বছর ধরে সিয়াম পালন করা নিষেধ, কারণ এতে স্বাস্থ্যহানি হওয়ার এবং জরুরী কর্তব্য পালনে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, একদিন পরপর সিয়াম পালন করার ফাযীলাত
সাওমে ভারসাম্য ও শরীরের হকের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২৬২৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৬২৭
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ بِشْرٍ، عَنْ مِسْعَرٍ، حَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ " وَنَفِهَتِ النَّفْسُ " .
হাবীব ইবনু আবূ সাবিত (রহঃ) থেকে এ সানাদ হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আরও আছে, “এবং তুমি শ্রান্ত-ক্লান্ত হয়ে পড়বে।”
ই.ফা. ২৬০৪, ই. সে. ২৬০৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৬২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার মতো একই শিক্ষা এসেছে, তবে এখানে আরও বলা হয়েছে—“তুমি শ্রান্তক্লান্ত হয়ে পড়বে।” মূল বিষয় হলো, নফল সাওম ও রাতের ইবাদত করতে গিয়ে নিজের শরীরকে এমনভাবে কষ্ট দেওয়া ঠিক নয়, যাতে মানুষ দুর্বল হয়ে পড়ে। ইসলাম ইবাদতকে ভালোবাসে, কিন্তু ইবাদতের পথে ভারসাম্যও শেখায়। শরীর, চোখ, ঘুম ও শক্তিরও একটি হক আছে। তাই সাওমে ভারসাম্য, নফল ইবাদতের নিয়ম এবং দেহের হক—এসব বিষয় এই বর্ণনা থেকে পরিষ্কার হয়। গুগলে এ ধরনের হাদিস খোঁজার ক্ষেত্রে মানুষ সাধারণত “অতিরিক্ত নফল রোজা”, “সাওমে ভারসাম্য” ও “দাউদী সাওম” ধরনের শব্দ ব্যবহার করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নফল ইবাদত এমন হওয়া উচিত, যা মানুষ নিয়মিতভাবে করতে পারে।
- অতিরিক্ত সাওম ও রাতজাগা শরীরকে ক্লান্ত করে দিতে পারে।
- ইবাদতের পাশাপাশি শরীরের হক আদায় করাও জরুরি।
