১৬/২৩. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৬০ - মুতআ হজের বর্ণনায় মু’আবিয়ার নাম

তামাত্তু‘ হাজ্জের বৈধতা

মুতআ হজের বর্ণনায় মু’আবিয়া (রাঃ)-এর উল্লেখ

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৬০

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فِي رِوَايَتِهِ يَعْنِي مُعَاوِيَةَ.

সুলায়মান আত্‌ তায়মী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তিনি এ রিওয়ায়াতে মু’আবিয়াহ্‌ (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করেছেন।

ই.ফা. ২৮৩৬, ই.সে. ২৮৩৫

সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৬০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আগের সানাদের মতো বর্ণনা এসেছে, তবে এখানে রিওয়ায়াতে মু’আবিয়া (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে আগের বর্ণনায় যে ব্যক্তির দিকে ইঙ্গিত ছিল, তা এই সূত্রে স্পষ্ট হয়। হাদিসটির মূল বিষয় মুতআ হজ বা তামাত্তু হজ নিয়ে সাহাবীদের আলোচনার সঙ্গে যুক্ত। এখানে নতুন কোনো আলাদা বিধান যোগ হয়নি; বরং আগের ঘটনার একটি নাম-সংক্রান্ত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। তাই এই হাদিস বুঝতে হলে আগের সা’দ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে পড়া দরকার। এতে মুতআ হজের ঐ আলোচনার ভাষা আরও পরিষ্কার হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • একই ঘটনার ভিন্ন সূত্রে কখনো নাম স্পষ্ট হয়।
  • মুতআ হজের আলোচনায় সাহাবীদের বক্তব্য সংরক্ষিত হয়েছে।
  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা আগের বিস্তারিত বর্ণনাকে ব্যাখ্যা করতে পারে।
  • হাদিস পড়ার সময় সানাদ ও শব্দের পার্থক্য লক্ষ্য করা দরকার।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন