২৩/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৮২ - দেউলিয়ার কাছে নিজের সম্পদ পেলে অধিকার
বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে
দেউলিয়া ঘোষণার পর নিজের সম্পদ পাওয়ার বিধান
সহীহ মুসলিম : ৩৮৮২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৮৮২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «إِذَا أَفْلَسَ الرَّجُلُ فَوَجَدَ الرَّجُلُ مَتَاعَهُ بِعَيْنِهِ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যদি কোন লোককে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয় আর কোন লোক স্বীয় সম্পদ অবিকলভাবে তার কাছে পায়, তবে সে ব্যক্তিই তা পাওয়ার বেশি হক রাখে।
ই. ফা. ৩৮৪৫, ই. সে. ৩৮৪৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৮৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দেউলিয়া ঘোষিত ব্যক্তির কাছে নিজের সম্পদ পাওয়া গেলে কী হবে, তা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, যদি কোনো লোক দেউলিয়া হয়ে যায় এবং একজন ব্যক্তি তার মাল অবিকলভাবে তার কাছে পায়, তবে সেই ব্যক্তি তা পাওয়ার বেশি হক রাখে। এখানে আবারও একই শর্ত এসেছে—মালটি নিজের সম্পদ হিসেবে চেনা যাচ্ছে এবং অবিকল আছে। এর অর্থ, দেউলিয়া হওয়ার পর সব মাল একসঙ্গে ভাগ হয়ে যাবে—এমন সরল ধারণা যথেষ্ট নয়; বরং নির্দিষ্ট মালিকের নির্দিষ্ট সম্পদের অধিকার দেখা হবে। এই হাদিস দেউলিয়া বিধান, মাল ফেরত, বিক্রেতার অধিকার এবং পাওনাদারদের মধ্যে ন্যায্যতা বোঝায়। ব্যবসায় পণ্যের মালিকানা, হস্তান্তর এবং প্রমাণ রাখা তাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দেউলিয়া ব্যক্তির কাছে নিজের সম্পদ অবিকল পেলে মালিকের দাবি শক্তিশালী।
- দেউলিয়া অবস্থায়ও নির্দিষ্ট মালিকানা বিবেচনা করা হয়।
- পাওনাদারদের মধ্যে ন্যায্য অগ্রাধিকার থাকা দরকার।
- লেনদেনে নিজের মাল প্রমাণ করার মতো স্পষ্টতা রাখা উপকারী।
