২৩/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯০১ - নিষিদ্ধ উপার্জনের সতর্কতা
কুকুরের মূল্য, গণকের গণনা কাজের মজুরী ও ব্যভিচারিণীর ব্যভিচার দ্বারা উপার্জিত অর্থ হারাম এবং বিড়াল বিক্রি করা নিষেধ
নিষিদ্ধ উপার্জন থেকে সতর্ক থাকার হাদিস
সহীহ মুসলিম : ৩৯০১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৯০১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ، عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ وَمَهْرِ الْبَغِيِّ وَحُلْوَانِ الْكَاهِنِ " .
আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারিণীর ব্যভিচার দ্বারা উপার্জিত অর্থ এবং গণকের গণনা দ্বারা উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।
ই. ফা. ৩৮৬৪, ই. সে. ৩৮৬৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩৯০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তিন ধরনের আয় গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। প্রথমটি হলো কুকুরের মূল্য। দ্বিতীয়টি হলো ব্যভিচারিণীর ব্যভিচার দ্বারা উপার্জিত অর্থ। তৃতীয়টি হলো গণকের গণনা দ্বারা পাওয়া অর্থ। হাদিসটি সরাসরি উপার্জনের পবিত্রতা নিয়ে সতর্ক করে। শুধু টাকা পাওয়া গেলেই তা গ্রহণযোগ্য হয় না; আয়ের পথও দেখতে হয়। এখানে এমন আয়ের কথা বলা হয়েছে, যা নিষিদ্ধ বা নিকৃষ্ট পথে আসে। তাই একজন মুসলিমের জন্য ব্যবসা, পেশা এবং আয়-রোজগারে হালাল-হারামের খেয়াল রাখা জরুরি। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সম্পদ কম বা বেশি হওয়া মূল কথা নয়; বরং তা কীভাবে অর্জিত হলো, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। হারাম উপার্জন থেকে বাঁচা ঈমানি সতর্কতার অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুকুরের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- ব্যভিচারের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ নিষিদ্ধ আয়ের অন্তর্ভুক্ত।
- গণকের গণনা থেকে আয় গ্রহণ করতেও নিষেধ এসেছে।
- উপার্জনে শুধু পরিমাণ নয়, আয়ের পথ হালাল কি না তা দেখা জরুরি।
