২৩/৩০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪০২৮ - না-হক জমি দখলের পরিণতি
যুল্ম করে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য কিছু জোর পূর্বক দখল করা হারাম
না-হক জমি দখল: কেয়ামতের কঠিন সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৪০২৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪০২৮
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ يَأْخُذُ أَحَدٌ شِبْرًا مِنَ الأَرْضِ بِغَيْرِ حَقِّهِ إِلاَّ طَوَّقَهُ اللَّهُ إِلَى سَبْعِ أَرَضِينَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ যদি এক বিঘত জমি না-হকভাবে জবর দখল করে কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে সাত স্তর জমিনের বেড়ি পরিয়ে দিবেন।
ই.ফা. ৩৯৯১, ই. সে. ৩৯৯০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪০২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কেউ যদি নিজের হক ছাড়া এক বিঘত জমিও জবর দখল করে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে সাত স্তর জমিনের বেড়ি পরিয়ে দেবেন। এখানে “না-হক জমি দখল” কথাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ জমির পরিমাণ ছোট হলেও যদি তা নিজের অধিকার না হয়, তা নেওয়া জায়েয নয়। জমি নিয়ে মানুষ অনেক সময় সীমানা একটু সরিয়ে দেয়, দুর্বল প্রতিবেশীর জমি চাপে রাখে বা কাগজপত্রের সুযোগ নেয়। এই হাদিস এমন কাজ থেকে সাবধান করে। এর মূল কথা হলো, জমির হক রক্ষা করা ঈমানি সততার অংশ। জমি দখল হাদিস, কেয়ামতের শাস্তি এবং মানুষের হক—এসব বিষয় এখানে সরাসরি উঠে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নিজের হক নয় এমন জমি নেওয়া থেকে বাঁচতে হবে।
- জমির পরিমাণ ছোট হলেও অন্যায় হলে তা গুরুতর।
- আল্লাহর সামনে মানুষের জমির হক সম্পর্কেও হিসাব হবে।
- জবর দখল দ্বীনি ও নৈতিকভাবে বিপজ্জনক কাজ।
