৩৭/৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১০৮ - সকল নেশাকর পানীয় হারাম
নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম
সকল নেশাকর পানীয় হারাম: হাদিসের স্পষ্ট কথা
সহীহ মুসলিম : ৫১০৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫১০৮
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَسَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَعَمْرٌو النَّاقِدُ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ كُلُّهُمْ عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، ح وَحَدَّثَنَا حَسَنٌ الْحُلْوَانِيُّ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ يَعْقُوبَ، بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، كُلُّهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ سُفْيَانَ وَصَالِحٍ سُئِلَ عَنِ الْبِتْعِ وَهُوَ فِي حَدِيثِ مَعْمَرٍ وَفِي حَدِيثِ صَالِحٍ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ " كُلُّ شَرَابٍ مُسْكِرٍ حَرَامٌ " .
মা’মার (রহঃ) হতে, তাঁরা সবাই যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উক্ত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে সুফ্ইয়ান সালিহ্ (রহঃ)- এর হাদীসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে “বিত্’ই [৬] সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলো”-কথাটি নেই। কিন্তু মা’মার (রহঃ)-এর কথাটি হাদীসে রয়েছে। আর সালিহ্ (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে যে, তিনি [আয়িশাহ্ (রাঃ)] রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন- সকল প্রকার নেশা উদ্রেককারী পানীয়ই নিষিদ্ধ।
[১] (বিত’ই) মদ। মধু কিংবা খেজুর রসের তৈরি করা মদ বা তাড়ি। (মিসবাহ ২৭ পৃঃ)ই. ফা. ৫০৪৩, ই. সে. ৫০৫৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় একই সূত্রে হাদিসটি এসেছে, তবে কিছু রাবীর বর্ণনায় বিত’ই সম্পর্কে প্রশ্নের অংশ নেই, আর মামার (রহঃ)-এর বর্ণনায় তা আছে। এসব ভিন্নতার মাঝেও মূল শিক্ষা একই থাকে—সকল প্রকার নেশা উদ্রেককারী পানীয় হারাম। তাই এখানে নেশাকর পানীয় হারাম বিষয়টি খুব পরিষ্কারভাবে আসে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, কোনো পানীয়কে শুধু তার নাম দেখে বিচার করা যথেষ্ট নয়। সেটি শরীরে ও মনে নেশার প্রভাব তৈরি করে কি না, সেটাই আসল বিষয়। বর্ণনার ভাষায় সামান্য পার্থক্য থাকলেও বিধানের মূল বার্তা একই: নেশা থেকে দূরে থাকা মুসলিম জীবনের নিরাপদ পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনার ভাষায় পার্থক্য থাকলেও মূল বিধান স্পষ্ট থাকে।
- যে পানীয় নেশা আনে, তা হারাম হিসেবে গণ্য হবে।
- দ্বীনের শিক্ষায় প্রভাব ও ফলাফলের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হয়।
