৩৭/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১২৩ - কিশমিশের নবীজের সময়সীমা
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ
কিশমিশের নবীজ: তৃতীয় দিনের বিকাল পর্যন্ত
সহীহ মুসলিম : ৫১২৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫১২৩
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ - وَاللَّفْظُ لأَبِي بَكْرٍ وَأَبِي كُرَيْبٍ - قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي عُمَرَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يُنْقَعُ لَهُ الزَّبِيبُ فَيَشْرَبُهُ الْيَوْمَ وَالْغَدَ وَبَعْدَ الْغَدِ إِلَى مَسَاءِ الثَّالِثَةِ ثُمَّ يَأْمُرُ بِهِ فَيُسْقَى أَوْ يُهَرَاقُ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য কিসমিস পানিতে ডুবিয়ে রাখা হতো। তিনি সেদিন, তার পরের দিন এবং তৃতীয় দিন বিকালে পর্যন্ত তা পান করতেন। অতঃপর তাঁর নির্দেশে কোন লোককে পান করানো হতো কিংবা ফেলে দেয়া হতো।
ই.ফা. ৫০৫৮, ই.সে. ৫০৬৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর জন্য কিশমিশ পানিতে ডুবিয়ে রাখা হতো। তিনি সেদিন, পরের দিন এবং তৃতীয় দিনের বিকাল পর্যন্ত তা পান করতেন। এরপর তাঁর নির্দেশে কাউকে পান করানো হতো অথবা তা ফেলে দেওয়া হতো। এখানে কিশমিশের নবীজ সম্পর্কে খুব নির্দিষ্ট সময়ের কথা এসেছে। তাই নবীজ বানানোর নিয়ম বলতে হলে এই সীমা ও সতর্কতা বাদ দেওয়া ঠিক নয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সুন্নাহর আমল অনুসরণ করতে হলে শুধু নামটি নেওয়া নয়; বরং কীভাবে, কতক্ষণ এবং পরে কী করা হয়েছে—এসবও খেয়াল করতে হবে। অবশিষ্ট অংশ সম্পর্কে নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিশমিশের নবীজের নির্দিষ্ট সময়সীমা বর্ণিত হয়েছে।
- তৃতীয় দিনের বিকালের পর অবশিষ্ট অংশ নিয়ে নির্দেশ দেওয়া হতো।
- সুন্নাহ অনুসরণে পদ্ধতি ও সতর্কতা দুটিই জরুরি।
