৩৭/৩৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫২৬৪ - খাবার ভাগাভাগির একই বর্ণনা
সামান্য খাদ্য সমানভাবে বণ্টনের ফাযীলাত এবং দু’জনের খাবার তিন জনের জন্য যথেষ্ট হওযা প্রসঙ্গে
খাবার ভাগাভাগির হাদিস: একই অর্থের বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৫২৬৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫২৬৪
حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ . بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ جُرَيْجٍ .
জাবির (রাঃ) এর সনদ হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) থেকে ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হাদীসের হুবহু বর্ণিত আছে।
ই.ফা. ৫১৯৬, ই.সে. ৫২০৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫২৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم থেকে ইবনু জুরায়জ রহঃ-এর হাদিসের মতোই বর্ণনা এসেছে। তাই এর মূল শিক্ষা আগের হাদিসের সঙ্গে একই: একজনের খাবার দুইজনের জন্য, দুইজনের খাবার চারজনের জন্য, এবং চারজনের খাবার আটজনের জন্য যথেষ্ট হতে পারে। সংক্ষিপ্ত সূত্র হলেও এটি খাবার ভাগাভাগির গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। ইসলাম মানুষের মধ্যে উদারতা, মেহমানদারি এবং অভাবীর পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা গড়ে তোলে। খাবার শুধু নিজের জন্য জমিয়ে রাখার বিষয় নয়; পরিবার, অতিথি এবং প্রয়োজনমতো অন্যদের সঙ্গে ভাগ করা যায়। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, অল্প খাবার দেখেই হতাশ না হয়ে সুন্দরভাবে ভাগ করার কথা ভাবা উচিত। এতে সম্পর্ক ভালো থাকে, কৃতজ্ঞতা বাড়ে এবং খাবারের বরকতের আশা করা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই অর্থের বর্ণনা খাবার ভাগ করার শিক্ষাকে জোরালো করে।
- অল্প খাবার থাকলেও ভাগ করার মানসিকতা রাখা যায়।
- মেহমান ও অভাবীর কথা ভাবা ইসলামী আদবের অংশ।
- খাবারকে আল্লাহর নেয়ামত মনে করে ব্যবহার করা উচিত।
