৩৮/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৩৫০ - দম্ভভরে বস্ত্র ঝুলানোর পরিণাম
অহমিকার বশে (গিরার নীচে) বস্ত্র ঝুলিয়ে রাখা নিষিদ্ধ এবং যতটুকু ঝুলিয়ে রাখা বৈধ ও মুস্তাহাব তার আলোচনা
দম্ভভরে বস্ত্র ঝুলানোর কঠিন সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৫৩৫০
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৩৫০
وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا حَنْظَلَةُ، قَالَ سَمِعْتُ سَالِمًا، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ مِنَ الْخُيَلاَءِ لَمْ يَنْظُرِ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে লোক দম্ভভরে তার বস্ত্র (টাখনুর নীচে) ঝুলিয়ে রাখবে, কেয়ামতের দিনে আল্লাহ তার দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দিবেন না।
ই.ফা. ৫২৮২,ই.সে. ৫২৯৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৩৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি দম্ভভরে তার বস্ত্র টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে রাখবে, কেয়ামতের দিনে আল্লাহ তার দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। এখানে “দম্ভভরে” শব্দটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পোশাকের বিষয়টি শুধু কাপড়ের আকৃতি বা ফ্যাশনের আলোচনায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মানুষের অন্তরের অহংকারের সাথে যুক্ত। যে ব্যক্তি পোশাকের মাধ্যমে নিজেকে বড় দেখাতে চায়, তার জন্য হাদিসে কঠিন সতর্কতা এসেছে। তাই মুসলিমের পোশাকে বিনয়, সাধারণতা ও আল্লাহভীতি থাকা দরকার। “দম্ভভরে বস্ত্র ঝুলানো”, “টাখনুর নিচে কাপড়”, “অহংকারে পোশাক” এবং “কেয়ামতের সতর্কতা”—এসব শব্দ এই হাদিসের মূল বিষয়কে ভালোভাবে তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দম্ভভরে পোশাক ঝুলানো হাদিসে নিন্দিত হয়েছে।
- পোশাকের ভেতরেও মানুষের অন্তরের অবস্থা প্রকাশ পেতে পারে।
- কেয়ামতের দিনের কথা মনে রাখা অহংকার কমাতে সাহায্য করে।
- বিনয় মুসলিম চরিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
