৩৮/৩১. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৪৫২ - কাযা চুল কাটার নিষেধ

কাযা’ চুল কিছু কামানো কিছু ছেড়ে দেয়া মাকরূহ

কাযা চুল কাটার হাদিস: কিছু কামানো, কিছু রাখা নিষেধ

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৪৫২

حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْقَزَعِ . قَالَ قُلْتُ لِنَافِعٍ وَمَا الْقَزَعُ قَالَ يُحْلَقُ بَعْضُ رَأْسِ الصَّبِيِّ وَيُتْرَكُ بَعْضٌ .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাযা’ (চুল কিছু ছেটে কিছু রাখা) নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী (‘উমর ইবনু নাফি’) বলেন, আমি নাফি’ (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, কাযা’ কি? তিনি বললেন শিশুর মাথার (চুল) কিছু কামানো এবং কিছু রেখে দেয়া।

ই.ফা. ৫৩৭৬,ই.সে. ৫৩৯৬

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৪৫২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কাযা নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী উমর ইবনু নাফি (রহঃ) নাফি (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, কাযা কী? তিনি বলেন, শিশুর মাথার কিছু চুল কামানো এবং কিছু চুল রেখে দেওয়া। তাই হাদিসটির মূল শিক্ষা খুব পরিষ্কার—চুল কাটার ক্ষেত্রে এমনভাবে মাথার এক অংশ কামিয়ে অন্য অংশ রেখে দেওয়া নিষেধ করা হয়েছে। এখানে বিশেষভাবে শিশুর মাথার কথা বলা হয়েছে। হাদিসটি সৌন্দর্য বা স্টাইলের নামে অদ্ভুতভাবে চুল কাটার বিষয়ে সতর্ক করে। তবে বর্ণনায় শুধু কাযার ব্যাখ্যা এসেছে; চুল কাটার অন্য সব ধরন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এখানে নেই।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কাযা নিষেধ করেছেন।
  • কাযা হলো মাথার কিছু চুল কামানো ও কিছু রেখে দেওয়া।
  • শিশুর চুল কাটার ক্ষেত্রেও ইসলামী আদব মানা উচিত।
  • চুলের সাজে এমন ভঙ্গি এড়ানো উচিত যা নিষিদ্ধ হিসেবে এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন