৪০/২০. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬০৮ - অসুস্থতায় নিজের ওপর দম

মু‘আববিযাত[২৭] সূরাহ পড়ে ঝাড়ফুঁক করা এবং দম করা

অসুস্থতায় মু‘আব্বিযাত পাঠ করে দম করার আমল

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৬০৮

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ إِذَا اشْتَكَى يَقْرَأُ عَلَى نَفْسِهِ بِالْمُعَوِّذَاتِ وَيَنْفُثُ فَلَمَّا اشْتَدَّ وَجَعُهُ كُنْتُ أَقْرَأُ عَلَيْهِ وَأَمْسَحُ عَنْهُ بِيَدِهِ رَجَاءَ بَرَكَتِهَا .

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ‘মু’আব্‌বিযাত’ পাঠ করে স্বশরীরে দম করতেন। তাঁর ব্যাধি কঠিন রূপ ধারণ করলে আমি তা পড়ে তাঁর হাত দ্বারা তাঁর দেহটি মুছে দিতাম ঐ হাতের বরকতের আশায়।

ই.ফা. ৫৫২৭, ই.সে. ৫৫৫২

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬০৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم অসুস্থ হলে মু‘আব্বিযাত পাঠ করে নিজের শরীরে দম করতেন। ব্যাধি কঠিন হয়ে গেলে আয়িশা রা. তা পড়ে তাঁর ওপর দম করতেন এবং তাঁর নিজের হাত দিয়ে তাঁর দেহ মুছে দিতেন। এখানে রুকইয়াহর একটি পরিষ্কার রূপ দেখা যায়—কুরআনের আয়াত পড়ে আল্লাহর কাছে আরোগ্য চাওয়া। হাদিসে কোনো বাড়তি জটিল পদ্ধতির কথা নেই; বরং পাঠ, দম এবং মুছে দেওয়ার কথাই এসেছে। আয়িশা রা. তাঁর হাতের বরকতের আশা করেছেন, কারণ তিনি ছিলেন আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه وسلم। তাই এই বর্ণনা অসুস্থতার সময় কুরআনভিত্তিক দোয়া ও মু‘আব্বিযাতের গুরুত্ব বোঝায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • অসুস্থ হলে নিজের ওপর মু‘আব্বিযাত পড়ে দম করা নববী আমল।
  • রোগ কঠিন হলে অন্য কেউও কুরআন পড়ে রুকইয়াহ করতে পারে।
  • আয়িশা রা. নবী صلى الله عليه وسلم-এর হাতের বরকতের আশায় তাঁর হাত দিয়ে মুছতেন।
  • রুকইয়াহর উদ্দেশ্য আল্লাহর কাছে আরোগ্য চাওয়া।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন