৪০/৪০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৭৪৮ - বিড়ালের প্রতি নিষ্ঠুরতার পরিণতি
বিড়াল হত্যা করা হারাম
বিড়ালের প্রতি নিষ্ঠুরতার ভয়াবহ পরিণতি
সহীহ মুসলিম : ৫৭৪৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৭৪৮
وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " عُذِّبَتِ امْرَأَةٌ فِي هِرَّةٍ لَمْ تُطْعِمْهَا وَلَمْ تَسْقِهَا وَلَمْ تَتْرُكْهَا تَأْكُلُ مِنْ خَشَاشِ الأَرْضِ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ একটি মেয়ে লোককে একটি বিড়ালের কারণে শাস্তি দেয়া হয়। সে নিজেও বিড়ালটিকে পানাহার করায়নি এবং তাকে ছেড়েও দেয়নি যাতে করে সে (নিজে) জমিনের পোকা-মাকড় খেতে পারে।
ই.ফা. ৫৬৬০, ই.সে. ৫৬৯০
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৭৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) একটি মেয়ে লোকের কথা বলেছেন, যাকে একটি বিড়ালের কারণে শাস্তি দেওয়া হয়। কারণ সে বিড়ালটিকে খাবার দেয়নি, পানি দেয়নি, আবার ছেড়েও দেয়নি যেন সে জমিনের পোকা-মাকড় খেয়ে বাঁচতে পারে। এখানে প্রাণীর অধিকার ও প্রাণীর প্রতি দয়া খুব পরিষ্কারভাবে উঠে এসেছে। হাদিসটি শুধু বিড়াল নিয়ে নয়; বরং যেকোনো অসহায় প্রাণীর ওপর অন্যায়, আটকে রাখা, ক্ষুধার্ত রাখা এবং পানির সুযোগ বন্ধ করার বিষয়ে সতর্ক করে। ইসলামে দয়া শুধু মানুষের জন্য নয়, জীবন্ত প্রাণীর প্রতিও দায়িত্ব আছে। তাই যারা পোষা প্রাণী রাখেন, তাদের খাবার, পানি ও নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রাণীকে খাবার-পানি থেকে বঞ্চিত করা গুরুতর অন্যায়।
- যে প্রাণীকে আটকানো হয়, তার যত্ন নেওয়ার দায়িত্বও নিতে হয়।
- ইসলাম অসহায় প্রাণীর প্রতিও দয়া করতে শেখায়।
- নিষ্ঠুরতা ছোট বিষয় মনে হলেও তা শাস্তির কারণ হতে পারে।
