৪৪/১৩. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৯১০ - নয় বছরের সেবায় ধৈর্যের দৃষ্টান্ত

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বোত্তম চরিত্রবান ছিলেন

ধৈর্য: নয় বছরের সেবায় নবীজির কোমলতা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৯১০

قَالَ أَنَسٌ وَاللَّهِ لَقَدْ خَدَمْتُهُ تِسْعَ سِنِينَ مَا عَلِمْتُهُ قَالَ لِشَىْءٍ صَنَعْتُهُ لِمَ فَعَلْتَ كَذَا وَكَذَا أَوْ لِشَىْءٍ تَرَكْتُهُ هَلاَّ فَعَلْتَ كَذَا وَكَذَا.

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর শপথ! আমি নয় বছর তাঁর সেবায় ছিলাম, কিন্তু আমার জানা নেই, কোন কাজ আমি করেছি সে ব্যাপারে বলেননি এরূপ কেন করলে কিংবা কোন কাজ করিনি, সে ব্যাপারে বলেননি, কেন অমুক অমুক কাজ করলে না?

ই.ফা. ৫৮০৯, ই.সে. নেই

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৯১০-এর সারসংক্ষেপ

আনাস (রা.) আল্লাহর শপথ করে বলেন, তিনি নয় বছর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সেবা করেছেন। এই দীর্ঘ সময়ে কোনো কাজ করলে নবীজি তাকে বলেননি, ‘এভাবে কেন করলে?’ আবার কোনো কাজ না করলে বলেননি, ‘কেন অমুক কাজ করলে না?’ এই হাদিস নবীজির ধৈর্য ও সুন্দর আচরণের এক স্পষ্ট প্রমাণ। একজন মানুষ ঘনিষ্ঠভাবে দীর্ঘদিন কারও সঙ্গে থাকলে তার আসল চরিত্র বোঝা যায়। আনাস (রা.) সেই ঘনিষ্ঠ অভিজ্ঞতা থেকেই নবীজির আচরণ বর্ণনা করেছেন। এখানে কোনো বড় ঘটনা নেই, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের বড় শিক্ষা আছে। পরিবারে, কাজে, দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং ছোটদের শেখানোর সময় অকারণ দোষারোপ এড়ানো দরকার। উত্তম চরিত্র মানে শুধু ভালো কথা বলা নয়; বরং প্রতিদিনের আচরণে তা ধরে রাখা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দীর্ঘ সম্পর্কেও ধৈর্য ধরে ভালো ব্যবহার করা নবীজির আদর্শ।
  • কাজে ভুল বা ঘাটতি হলে অকারণ দোষারোপ না করা উত্তম আচরণ।
  • যারা দায়িত্বে থাকে, তাদের উচিত অধীনস্থদের সঙ্গে নরম ও সম্মানজনক ব্যবহার করা।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন