৪৪/২৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৯৬৪ - নবীজির মুখ, চোখ ও গোড়ালি
নবী (ﷺ)-এর মুখাবয়ব, দু’টি চোখ ও গোড়ালির বর্ণনা
নবীজির মুখাবয়ব, চোখ ও গোড়ালির বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৫৯৬৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৯৬৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ ضَلِيعَ الْفَمِ أَشْكَلَ الْعَيْنِ مَنْهُوسَ الْعَقِبَيْنِ . قَالَ قُلْتُ لِسِمَاكٍ مَا ضَلِيعُ الْفَمِ قَالَ عَظِيمُ الْفَمِ . قَالَ قُلْتُ مَا أَشْكَلُ الْعَيْنِ قَالَ طَوِيلُ شَقِّ الْعَيْنِ . قَالَ قُلْتُ مَا مَنْهُوسُ الْعَقِبِ قَالَ قَلِيلُ لَحْمِ الْعَقِبِ .
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রশস্ত চেহারার অধিকারী ছিলেন, টানাটানা নয়ন এবং সুষম গোড়ালি বিশিষ্ট আকৃতির অধিকারী ছিলেন। শু’বাহ্ (রহঃ) রাবী সিমাক (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, প্রশস্ত চেহারা কেমন? তিনি বললেন, বড় মুখাবয়ব। শু’বাহ্ বলেন, আমি বললাম, টানা চোখ কেমন? তিনি বললেন, চোখ দু’টো দীঘল দীর্ঘ ডাগর। তিনি বলেন যে, আমি বললাম, সুষম গোড়ালি কেমন? তিনি বললেন, হাল্কা গোড়ালি।
ই.ফা. ৫৮৬১, ই.সে. ৫৮৯৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৯৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর মুখাবয়ব ও দেহের কিছু বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নবীজি প্রশস্ত মুখের অধিকারী ছিলেন, তাঁর চোখ ছিল টানা টানা, আর গোড়ালি ছিল সুষম বা হালকা। এরপর রাবী শু‘আবা (রহঃ)-এর কাছে শব্দগুলোর অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, প্রশস্ত মুখ মানে বড় মুখাবয়ব, টানা চোখ মানে দীঘল চোখ, আর সুষম গোড়ালি মানে গোড়ালিতে মাংস কম থাকা। এই হাদিসে নবীজির শামায়েল খুব নির্দিষ্টভাবে এসেছে। বর্ণনাটি আমাদের শেখায়, সাহাবীরা শুধু সামগ্রিক সৌন্দর্য নয়, বিস্তারিত বৈশিষ্ট্যও সংরক্ষণ করেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর মুখাবয়ব প্রশস্ত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
- তাঁর চোখ ছিল দীঘল ও টানা।
- রাবীরা কঠিন শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা করে দিয়েছেন।
