৪৫/১৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬১৯৪ - আয়িশা (রাঃ)-এর ফজিলতের শব্দভেদ
আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর ফযিলত
আয়িশা (রাঃ)-এর ফজিলত: একই অর্থের রিওয়ায়াত
সহীহ মুসলিম : ৬১৯৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬১৯৪
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، يَعْنُونَ ابْنَ جَعْفَرٍ ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ - كِلاَهُمَا عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ، عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ . بِمِثْلِهِ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِهِمَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ . وَفِي حَدِيثِ إِسْمَاعِيلَ أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অবিকল রিওয়ায়াত করেন। তাঁদের উভয়ের হাদীসে “রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) হতে শুনেছি” এ কথা নেই। ইসমা‘ঈলের হাদীসে “আনাস (রাঃ) হতে শ্রবণ করেছি” আছে।
ই.ফা. ৬০৮১, ই.সে. ৬১১৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬১৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার একই অর্থ এসেছে, তবে বর্ণনার শব্দে কিছু পার্থক্য উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, তাদের উভয়ের হাদিসে “রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم হতে শুনেছি” বাক্যটি নেই। আবার ইসমাঈলের বর্ণনায় “আনাস (রাঃ) হতে শ্রবণ করেছি” কথাটি আছে। তাই এখানে মূল শিক্ষা শুধু আয়িশা (রাঃ)-এর ফজিলত নয়; বরং হাদিস রিওয়ায়াতে শব্দ ও সূত্র কীভাবে সংরক্ষিত হয়, তাও বোঝা যায়। আগের বর্ণনার বক্তব্য ছিল, আয়িশা (রাঃ)-এর মর্যাদা সারীদের শ্রেষ্ঠত্বের মতো। এই বর্ণনা সেই কথাটিই অবিকল অর্থে ধরে রেখেছে। হাদিস পড়ার সময় এমন শব্দভেদ দেখে বিভ্রান্ত না হয়ে বুঝতে হয়, মূল অর্থ ও সূত্রের তথ্য আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই রিওয়ায়াতের পার্থক্য জানলেও পাঠক মূল ফজিলত থেকে মন সরিয়ে ফেলেন না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই অর্থের হাদিসে শব্দভেদ থাকতে পারে, তা বর্ণনাকারীরা আলাদা করে জানান।
- আয়িশা (রাঃ)-এর ফজিলতের মূল বক্তব্য আগের মতোই আছে।
- হাদিস রিওয়ায়াতে কে কার কাছ থেকে শুনেছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
- শব্দের সামান্য পার্থক্য থাকলেও মূল শিক্ষা ঠিকভাবে বুঝতে হয়।
