৫৩/১৪. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৭০৯১ - হাশরের বর্ণনায় শব্দগত ভিন্নতা

দুনিয়ার নশ্বরতা ও কিয়ামাতের বর্ণনা

হাশরের বর্ণনায় সংক্ষিপ্ত রেওয়ায়াতের শিক্ষা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭০৯১

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ حَاتِمِ، بْنِ أَبِي صَغِيرَةَ بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرْ فِي حَدِيثِهِ «غُرْلاً» .>

হাতিম ইবনু আবূ সাগীরাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে غُرْلاً “খাতনাবিহীন’ শব্দটি বর্ণনা নেই।

ই.ফা. ৬৯৩৫, ই.সে. ৬৯৯৩

সহীহ মুসলিম হাদিস ৭০৯১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আগের বর্ণনার একই সনদের কথা এসেছে, তবে এখানে খতনাবিহীন শব্দটি উল্লেখ করা হয়নি। এর ফলে হাদিসের মূল শিক্ষা বদলে যায় না। বিষয়টি হলো কেয়ামতের দিন মানুষকে আল্লাহর সামনে এমন অবস্থায় একত্র করা হবে, যেখানে দুনিয়ার স্বাভাবিক শক্তি, পোশাক, পরিচয় বা ভরসা কোনো কাজে আসবে না। এই ধরনের সংক্ষিপ্ত রেওয়ায়াত আমাদের শেখায় যে হাদিসের শব্দভেদ থাকতে পারে, কিন্তু মূল বার্তা একই থাকে। এখানে হাশরের ভয়, মানুষের অসহায়তা এবং আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর বাস্তবতা ফুটে উঠেছে। মুমিনের জন্য শিক্ষা হলো, দুনিয়ার বাহ্যিক সাজ নয়, বরং ঈমান ও আমলই সেই দিনের আসল বিষয়। তাই কেয়ামতের প্রস্তুতি জীবনের নিয়মিত চিন্তা হওয়া উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হাদিসের কোনো বর্ণনায় শব্দ কম-বেশি থাকলেও মূল শিক্ষা বোঝা দরকার।
  • হাশরের দিন দুনিয়ার বাহ্যিক ভরসা থাকবে না।
  • আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি আমলের মাধ্যমে নিতে হয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন