৪/৪১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৯৬৮ - রুকুতে কিরাআতের নিষেধ
রুকু‘ ও সাজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করা নিষেধ
রুকুতে কিরাআত নিষেধ: বর্ণনার সূক্ষ্ম শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৯৬৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৯৬৮
وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ، عَنْ حَاتِمِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ، عَنْ عَلِيٍّ، وَلَمْ يَذْكُرْ فِي السُّجُودِ .
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে ‘সিজদায় কোরআন পাঠ করা নিষেধ’ এ কথার উল্লেখ নেই।
ই.ফা. ৯৬৩,ই.সে. ৯৭৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৯৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উপরের হাদিসের মতো একই মূল শিক্ষা এসেছে। এখানে বলা হয়েছে, এ সূত্রে সিজদায় কুরআন পাঠ নিষেধের কথা উল্লেখ নেই। তাই মূল আলোচ্য বিষয় হলো রুকুতে কুরআন পাঠ নিষেধ এবং হাদিসের শব্দ বুঝে নেওয়ার গুরুত্ব। সালাতে রুকু হলো কুরআন তিলাওয়াতের স্থান নয়। কুরআন পাঠের স্থান হলো দাঁড়ানো অবস্থায় কিয়াম। রুকুর অবস্থায় বান্দা বিনয় প্রকাশ করে এবং আল্লাহর মহিমা স্মরণ করে। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, হাদিস বোঝার সময় কোন শব্দ এসেছে, কোন শব্দ আসেনি—এ দিকেও নজর রাখতে হয়। এতে সালাতের আদব ঠিকভাবে জানা যায় এবং ভুলভাবে কোনো কথা যোগ করার প্রবণতা কমে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকুতে কুরআন পাঠ না করার শিক্ষা এই বর্ণনায়ও এসেছে।
- কোন বর্ণনায় কোন অংশ আছে বা নেই, তা বুঝে নেওয়া দরকার।
- সালাতের কিয়াম ও রুকুর কাজ এক নয়।
- হাদিসের শব্দের প্রতি সতর্ক থাকা জ্ঞান অর্জনের অংশ।
