০/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৯১ - উটপালক ও বকরিওয়ালার চরিত্র শিক্ষা
হাদীসের সানাদ বর্ণনা করা দীনের অন্তর্ভুক্ত, নির্ভরযোগ্য বর্ণনা ছাড়া রিওয়ায়াত গ্রহণ করা উচিত নয়; বর্ণনাকারীদের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরা শুধু জায়িয নয়, বরং ওয়াজিব; ওটা গীবাত নয়- যা শারী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম; ক্ষতিকারক জিনিসগুলো দূর করে শারী‘আতের বিধানসমূহ নিখুঁত ও ত্রুটিমুক্ত করা অতীব প্রয়োজন
অহংকার ত্যাগ ও নম্রতা অর্জনের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৯১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৯১
حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ السَّلَامِ الْوَابِصِيُّ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ كَانَ يَحْيَى بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ كَذَّابًا .
আহমাদ ইবনু ইবরাহীম দাওরাকী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আবদুস সালাম আল ওয়াবিসী বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফার আর রাক্বী (রহঃ) ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আমুর থেকে রিওয়ায়াত করেন যে, ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ উনাইসাহ্ মিথ্যাবাদী ছিলেন।
সহীহ মুসলিম হাদিস ৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বলতে শুনেছেন যে, অহংকার ও দাম্ভিকতা চিৎকারকারী উট পালকদের মধ্যে এবং নম্রতা বকরিওয়ালাদের মধ্যে। বক্তব্যটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু চরিত্র গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে অহংকার ও দাম্ভিকতাকে নেতিবাচক হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিপরীতে নম্রতাকে প্রশংসিত গুণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিসটি আমাদেরকে নিজের আচরণ নিয়ে ভাবতে শেখায়। উচ্চস্বরে কথা বলা, কঠোর ব্যবহার বা নিজের অবস্থান নিয়ে গর্ব করা মানুষের জন্য ভালো নয়। অন্যদিকে শান্ত, নম্র ও সংযত আচরণ একজন মুমিনের জন্য সুন্দর। এই হাদিসের মূল শব্দ হলো অহংকার সম্পর্কে হাদিস এবং নম্রতা সম্পর্কে হাদিস।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অহংকার ও দাম্ভিকতা থেকে দূরে থাকা উচিত।
- নম্রতা মানুষের চরিত্রকে সুন্দর করে।
- রুক্ষ আচরণ মানুষকে অপছন্দনীয় করে তুলতে পারে।
- নিজের ভেতরে গর্বের ভাব থাকলে তা নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
