২২/৮. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০১২ - তাকীদযুক্ত কসমের কাফ্ফারা
কসমের কাফ্ফারা
তাকীদযুক্ত কসমের কাফ্ফারা: ইবনু উমার (রা)-এর বক্তব্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০১২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০১২
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُوْلُ: مَنْ حَلَفَ بِيَمِينٍ فَوَكَّدَهَا ثُمَّ حَنِثَ فَعَلَيْهِ عِتْقُ رَقَبَةٍ أَوْ كِسْوَةُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ وَمَنْ حَلَفَ بِيَمِينٍ فَلَمْ يُؤَكِّدْهَا ثُمَّ حَنِثَ فَعَلَيْهِ إِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ لِكُلِّ مِسْكِينٍ مُدٌّ مِنْ حِنْطَةٍ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) বললেন : কেউ যদি কসম করে ও পরে আরও কসম দ্বারা উহাকে জোরালো করে এবং পরে উহা ভেঙ্গে ফেলে তবে তার উপর একটি গোলাম আযাদ করা অথবা দশজনকে কাপড় দেয়া জরুরি হবে। আর যদি তাকীদযুক্ত নয় এমন কসম করে ভেঙ্গে ফেলে তবে দশজন মিসকীনের প্রত্যেককে এক মুদ পরিমাণ গম দিবে আর তা না পারলে তিন দিন রোজা রাখবে।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০১২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) কসমের কাফ্ফারার ধরন ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, কেউ কসম করে তা আরও জোরালো করে, পরে ভেঙে ফেললে তার ওপর একটি গোলাম আযাদ করা অথবা দশজনকে কাপড় দেওয়া জরুরি হবে। আর যদি কসম জোরালো না করে ভাঙে, তবে দশজন মিসকীনের প্রত্যেককে এক মুদ গম দিতে হবে। তা না পারলে তিন দিন রোজা রাখবে। এখানে কসম ভাঙার পর দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ দেখানো হয়নি; বরং সামর্থ্য অনুযায়ী কাফ্ফারার পথ দেখানো হয়েছে। এই হাদিস কসমের গুরুত্ব এবং মানুষের কথার জবাবদিহি শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কসম ভাঙলে কাফ্ফারার দায়িত্ব আসে।
- জোরালো কসম ও সাধারণ কসমের বিষয়ে আলাদা আলোচনা আছে।
- মিসকীনকে খাদ্য বা কাপড় দেওয়ার মাধ্যমে কাফ্ফারা হতে পারে।
- সামর্থ্য না থাকলে তিন দিন রোজার কথা এসেছে।
