২৩/৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৩০ - গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষ থেকে কুরবানী
গর্ভস্থ সন্তানের তরফ হতে কুরবানী
গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষ থেকে কুরবানী না করার বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৩০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৩০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ لَمْ يَكُنْ يُضَحِّي عَمَّا فِي بَطْنِ الْمَرْأَةِ ১৭৭৭-قَالَ مَالِك الضَّحِيَّةُ سُنَّةٌ وَلَيْسَتْ بِوَاجِبَةٍ وَلَا أُحِبُّ لِأَحَدٍ مِمَّنْ قَوِيَ عَلَى ثَمَنِهَا أَنْ يَتْرُكَهَا.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষ হতে কুরবানী করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেন : কুরবানী করা সুন্নাত (মুয়াক্কাদা)। ইহা ওয়াজিব নয়। যে কুরবানী ক্রয় করতে সামর্থ্য রাখে, তার পক্ষে কুরবানী না করা আমি পছন্দ করি না।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় নাফি (র) জানান, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষ থেকে কুরবানী করতেন না। এরপর ইমাম মালিক (র) বলেন, কুরবানী সুন্নাত, ওয়াজিব নয়। তবে যে ব্যক্তি কুরবানী ক্রয় করতে সামর্থ্য রাখে, তার পক্ষে কুরবানী না করা তিনি পছন্দ করেন না। এখানে দুটি বিষয় স্পষ্ট। প্রথমত, গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষ থেকে ইবনু উমার (রা)-এর আমল ছিল কুরবানী না করা। দ্বিতীয়ত, ইমাম মালিকের বক্তব্যে কুরবানীর গুরুত্ব বোঝা যায়, যদিও তিনি একে ওয়াজিব বলেননি। তাই এই হাদিসে “কুরবানী সুন্নাত নাকি ওয়াজিব” প্রশ্নে ইমাম মালিকের সরাসরি মন্তব্য পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রা) গর্ভস্থ সন্তানের পক্ষ থেকে কুরবানী করতেন না।
- ইমাম মালিক কুরবানীকে সুন্নাত বলেছেন, ওয়াজিব বলেননি।
- সামর্থ্য থাকলে কুরবানী ছেড়ে দেওয়া পছন্দনীয় নয়—এমন বক্তব্য এসেছে।
- নির্দিষ্ট আমল সম্পর্কে সাহাবীদের কাজ জানা গুরুত্বপূর্ণ।
