২৭/৭. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৬৭ - উমার (রা)-এর দাদার মীরাস ফয়সালা
দাদার (পিতামহের) অংশ
উমার (রা)-এর আমলে দাদার মীরাসের হিস্যা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৬৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৬৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَرَضَ لِلْجَدِّ الَّذِي يَفْرِضُ النَّاسُ لَهُ الْيَوْمَ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) দাদাকে এইরূপ হিস্যা দিতেন যেরূপ আজকাল লোকেরা দিয়ে থাকে। মালিক (রহঃ) বলেন, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতেও এইরূপ বর্ণিত আছে।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দাদার মীরাস বিষয়ে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর ফয়সালার কথা এসেছে। কাবীসা ইবনু যুআইব বর্ণনা করেন, উমার (রা) দাদার জন্য সেই হিস্যা নির্ধারণ করতেন, যা লোকেরা তখন দিত। ইমাম মালিক (র) আরও বলেন, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার থেকেও এমন বর্ণনা আছে। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এখানে বিস্তারিত হিসাব নেই। তবে মূল বিষয় হলো, দাদার উত্তরাধিকার আলাদা গুরুত্ব পেত এবং ফারায়েযের আলোচনায় এটি একটি পরিচিত মাসআলা ছিল। দাদার মীরাস, উমার (রা)-এর ফয়সালা, ইসলামী উত্তরাধিকার—এসব কীওয়ার্ডের সঙ্গে এই বর্ণনা সম্পর্কিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাদার মীরাস নিয়ে সাহাবীদের আমলে আলোচনা ও ফয়সালা ছিল।
- উমার (রা) প্রচলিত হিস্যার ভিত্তিতে দাদার অংশ দিতেন।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত হিসাব বানানো উচিত নয়।
- ফারায়েযের মাসআলায় আগের ফয়সালার গুরুত্ব বোঝা যায়।
