২৯/১৮. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৮৮ - ক্রীতদাসের তালাক ও ইদ্দত
ক্রীতদাসের তালাক
ক্রীতদাসের দুই তালাক: ইদ্দত ও হালাল হওয়ার শর্ত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৮৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৮৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ: إِذَا طَلَّقَ الْعَبْدُ امْرَأَتَهُ تَطْلِيقَتَيْنِ فَقَدْ حَرُمَتْ عَلَيْهِ حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ حُرَّةً كَانَتْ أَوْ أَمَةً وَعِدَّةُ الْحُرَّةِ ثَلَاثُ حِيَضٍ وَعِدَّةُ الْأَمَةِ حَيْضَتَانِ.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
কোন ক্রীতদাস স্ত্রীকে দুই তালাক প্রদান করলে সে স্ত্রী তার জন্য হারাম হবে যাবৎ দ্বিতীয় স্বামীর পাণি গ্রহণ না করবে; (স্ত্রী) আযাদ হোক বা ক্রীতদাসী হোক। আর আযাদ স্ত্রীলোকের ইদ্দত হচ্ছে তিন হায়য (মাসিক ঋতু), ক্রীতদাসীর ইদ্দত হচ্ছে দুই হায়য।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় ক্রীতদাসের তালাক ও ইদ্দত। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, কোনো ক্রীতদাস তার স্ত্রীকে দুই তালাক দিলে স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যায়, যতক্ষণ না সে অন্য স্বামী গ্রহণ করে। এই বিধান স্ত্রী আযাদ হোক বা ক্রীতদাসী—দুই অবস্থার জন্যই বলা হয়েছে। এরপর ইদ্দতের কথাও এসেছে। আযাদ নারীর ইদ্দত তিন হায়য, আর ক্রীতদাসীর ইদ্দত দুই হায়য। এখানে তালাকের সংখ্যা, নারীর অবস্থা এবং ইদ্দতের সময়—সবগুলো বিষয় স্পষ্টভাবে আলাদা করা হয়েছে। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, তালাকের পর সম্পর্কের সীমা ও ইদ্দত মানা ইসলামী পারিবারিক বিধানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ক্রীতদাস দুই তালাক দিলে স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- আযাদ স্ত্রী ও ক্রীতদাসী—দুই অবস্থার কথাই এখানে উল্লেখ আছে।
- আযাদ নারীর ইদ্দত তিন হায়য বলা হয়েছে।
- ক্রীতদাসীর ইদ্দত দুই হায়য বলা হয়েছে।
