৩১/২৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩২৬ - পশু ক্রয়ে দায়িত্ব ও জামানত
পশুকে পশুর বিনিময়ে বিক্রয় করা এবং উহাকে ধারে বিক্রয় করা
পশু ক্রয়-বিক্রয়ে হস্তান্তর ও জামানতের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩২৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৩২৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ اشْتَرَى رَاحِلَةً بِأَرْبَعَةِ أَبْعِرَةٍ مَضْمُونَةٍ عَلَيْهِ يُوفِيهَا صَاحِبَهَا بِالرَّبَذَةِ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) একটি রাহেলা [ভারবাহী বা সাওয়ারীর উট] ক্রয় করেছিলেন চারটি উটের বিনিময়ে। সে রাহেলা বিক্রেতার দায়িত্বে ও জামানতে ছিল। কথা এই ছিল যে, বিক্রেতা উহাকে ক্রেতার নিকট হস্তান্তর করবে রাবাযা [১] নামক স্থানে।
[১] রাবাযা মদীনা শরীফের নিকটবর্তী প্রসিদ্ধ জনপদ।(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর একটি লেনদেনের কথা এসেছে। তিনি একটি রাহেলা বা সওয়ারির উট ক্রয় করেন চারটি উটের বিনিময়ে। বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, সেই রাহেলা বিক্রেতার দায়িত্বে ও জামানতে ছিল এবং রাবাযা নামক স্থানে ক্রেতার কাছে হস্তান্তরের কথা ছিল। এখানে ইসলামী বেচাকেনার গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, লেনদেনে শুধু দাম নয়, পণ্য হস্তান্তরের দায়িত্বও পরিষ্কার হওয়া দরকার। কোথায়, কীভাবে এবং কার দায়িত্বে পণ্য থাকবে—এসব বিষয় জানা থাকলে লেনদেন নিরাপদ হয়। পশু ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এ ধরনের শর্ত আরও জরুরি, কারণ পশু চলমান ও জীবিত সম্পদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পশু ক্রয়ে হস্তান্তরের স্থান ও দায়িত্ব পরিষ্কার করা দরকার।
- লেনদেনে জামানতের বিষয় উল্লেখ থাকলে বিরোধ কমে।
- বিনিময় পণ্য নির্দিষ্ট হলে চুক্তি সহজে বোঝা যায়।
- বেচাকেনায় শর্ত লুকিয়ে না রেখে স্পষ্ট করা উচিত।
