৩১/২৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৩১ - জাহেলিয়্যাতের জুয়ার মতো বিক্রি
গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয়
গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় ও জাহেলিয়্যাতের জুয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩৩১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৩৩১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ يَقُولُ مِنْ مَيْسِرِ أَهْلِ الْجَاهِلِيَّةِ بَيْعُ الْحَيَوَانِ بِاللَّحْمِ بِالشَّاةِ وَالشَّاتَيْنِ.
বর্ণণাকারী হতে বর্ণিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বলতেনঃ গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করা এবং একটি বকরী ও দুটি বকরীর বিনিময়ে বিক্রয় করা জাহেলিয়্যাত যুগের জুয়া সদৃশ।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) বলেন, গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করা এবং একটি বকরী বা দুটি বকরীর বিনিময়ে বিক্রয় করা জাহেলিয়্যাত যুগের জুয়ার সদৃশ। এখানে মূল শিক্ষা হলো, এমন লেনদেন এড়িয়ে চলা, যেখানে লাভ-ক্ষতি ও বিনিময়ের বাস্তব পরিমাণ অস্পষ্ট থাকে। জাহেলিয়্যাতের জুয়ার সঙ্গে তুলনা করার মাধ্যমে বর্ণনাটি লেনদেনের ঝুঁকিপূর্ণ দিকটি দেখিয়েছে। ইসলামে বেচাকেনা হওয়া উচিত পরিষ্কার, বোঝার মতো এবং ধোঁকামুক্ত। যখন জীবিত পশু ও গোশতের বিনিময় করা হয়, তখন পরিমাণ ও মূল্য নিয়ে সন্দেহের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই এই বর্ণনা ব্যবসায় সতর্কতা শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় ঝুঁকিপূর্ণ লেনদেনের মধ্যে পড়ে।
- জাহেলিয়্যাতের জুয়ার মতো অস্পষ্ট বিনিময় থেকে সতর্ক থাকতে হয়।
- বেচাকেনায় লাভ-ক্ষতি ও পরিমাণ বুঝে নেওয়া জরুরি।
- লেনদেনে ধোঁকা বা সন্দেহের পথ বন্ধ রাখা উচিত।
