৩৬/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪০০ - সাক্ষী ও কসমের ভিত্তিতে ফয়সালা
সাক্ষীসহ কসমের সাথে ফয়সালা
সাক্ষী ও কসম: বিচার ফয়সালায় প্রমাণের গুরুত্ব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪০০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪০০
قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِدِ.
জাফর সাদিক (রহঃ) তার পিতা মুহাম্মাদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) সাক্ষী ও কসমের উপর ফয়সালা করেছেন।
(সহীহ, ইমাম মুসলিম মুত্তাসিল সনদে ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন ১৭১২, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪০০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাক্ষী ও কসমের উপর ফয়সালা করেছেন। অর্থাৎ বিচারিক বিষয়ে শুধু দাবি যথেষ্ট নয়; প্রমাণ, সাক্ষ্য এবং প্রয়োজনে কসমের মাধ্যমে বিষয় পরিষ্কার করা হয়। এই হাদিসের শিক্ষা খুব সংক্ষিপ্ত হলেও বিচারব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। মানুষের অধিকার, সম্পদ বা বিবাদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে কথার ওপর অন্ধভাবে নির্ভর করা যায় না। সাক্ষী ও কসমের মতো পদ্ধতি সত্য বের করতে সাহায্য করে। ইসলামী বিচার, প্রমাণের নিয়ম এবং দায়িত্বপূর্ণ সাক্ষ্যের আলোচনায় এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিচারে দাবির সঙ্গে প্রমাণের প্রয়োজন হয়।
- সাক্ষী ও কসম ফয়সালার অংশ হতে পারে।
- মানুষের অধিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত সতর্কতার সঙ্গে দিতে হয়।
