৩৬/৮. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪০৫ - মিথ্যা কসমের ভয়াবহতা
রাসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিম্বরে মিথ্যা কসম করা
মিথ্যা কসমের ভয়াবহতা ও সত্যবাদিতার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪০৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪০৫
قَالَ يَحْيَى حَدَّثَنَا مَالِك عَنْ هَاشِمِ بْنِ هَاشِمِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ نِسْطَاسٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ حَلَفَ عَلَى مِنْبَرِي آثِمًا تَبَوَّأَ مَقْعَدَهُ مِنْ النَّارِ.
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, আমার মিম্বরে যে মিথ্যা কসম করে সে যেন তার স্থান দোযখে বানিয়ে নেয়।
(সহীহ, আবূ দাঊদ ৩২৪৬, ইবনু মাজাহ ২৩২৫, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [ইরওয়া] ২৬৯৭)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তাঁর মিম্বরে মিথ্যা কসম করে, সে যেন দোযখে নিজের স্থান বানিয়ে নেয়। হাদিসের মূল বার্তা খুব স্পষ্ট: কসম কোনো সাধারণ কথা নয়। বিশেষ করে বিচার, অধিকার বা পবিত্র স্থানের সাথে যুক্ত কসম আরও বেশি দায়িত্বের বিষয়। ‘মিথ্যা কসম’ মানুষকে অন্যের অধিকার নষ্ট করতে, সত্য চাপা দিতে এবং আল্লাহর নামে ভুল কথা বলতে সাহসী করে তোলে। তাই এই হাদিস সতর্ক করে যে, কসম করার আগে নিজের কথা সত্য কি না তা ভালোভাবে দেখা উচিত। মিম্বরের কথা এখানে কসমের গুরুতর অবস্থাকে আরও জোরালোভাবে বুঝিয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিথ্যা কসম অত্যন্ত ভয়ংকর পাপের কারণ হতে পারে।
- আল্লাহর নামে কসম করলে সত্য কথা বলা জরুরি।
- বিচার বা অধিকার নিয়ে মিথ্যা কসম আরও কঠিন ব্যাপার।
- পবিত্র স্থানের সম্মান রক্ষা করা উচিত।
