৩৮/৯. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৭৩ - কোন দাস আযাদ করা উত্তম
দাস-দাসী আযাদ করার ফযীলত এবং নিষিদ্ধ যৌন সঙ্গমকারিণী ও জারজ সন্তানকে আযাদ করা
উত্তম দাস আযাদ: মূল্যবান ও প্রিয় রাকাবার ফজিলত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৭৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪৭৩
حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ الرِّقَابِ أَيُّهَا أَفْضَلُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَغْلَاهَا ثَمَنًا وَأَنْفَسُهَا عِنْدَ أَهْلِهَا.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর নিকট প্রশ্ন করা হল, যেসব ব্যাপারে দাস-দাসী আযাদ করা ওয়াজিব উহাতে কোন প্রকার দাস-দাসী (আযাদ করা) উত্তম? রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বললেন, যার মূল্য বেশি এবং যারা কর্তাদের (এবং তাদের পরিজনের) নিকট মনোরম ও আদরণীয়।
(বুখারী ২৫১৮, মুসলিম ৮৪)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞেস করা হয়, যেসব ক্ষেত্রে দাস-দাসী আযাদ করা ওয়াজিব, সেখানে কোন ধরনের দাস-দাসী আযাদ করা উত্তম? তিনি বলেন, যার মূল্য বেশি এবং যে তার কর্তাদের বা পরিবারের কাছে বেশি মনোরম ও আদরণীয়। এখানে আযাদীর মান শুধু সংখ্যা দিয়ে দেখা হয়নি; বরং মূল্য ও প্রিয়তার দিকও উল্লেখ করা হয়েছে। মানুষ সাধারণত যে জিনিস বেশি মূল্যবান বা প্রিয়, তা ছাড়তে কষ্ট পায়। এই বর্ণনা শেখায়, আযাদীর কাজে আন্তরিকতা ও ত্যাগের মানও বিবেচ্য। তবে হাদিসে শুধু এই নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর এসেছে; তাই এর বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উত্তম আযাদী শুধু নামমাত্র কাজ নয়, মূল্য ও প্রিয়তার দিকও বিবেচ্য।
- যে দাস পরিবারের কাছে আদরণীয়, তাকে আযাদ করা বেশি মর্যাদাপূর্ণ বলা হয়েছে।
- ওয়াজিব আযাদীতে ভালো মানের রাকাবা বেছে নেওয়ার শিক্ষা আছে।
- আল্লাহর পথে প্রিয় জিনিস ছাড়ার মানসিকতা এই বর্ণনায় দেখা যায়।
