৪০/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫০২ - মুদাব্বারা দাসীর সাথে সম্পর্কের বিধান
মুদাব্বার করার পর স্বীয় ক্রীতদাসীর সহিত সঙ্গম করা প্রসঙ্গে
মুদাব্বারা দাসী সম্পর্কে ইবনু উমার (রা)-এর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫০২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫০২
حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ دَبَّرَ جَارِيَتَيْنِ لَهُ فَكَانَ يَطَؤُهُمَا وَهُمَا مُدَبَّرَتَانِ
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমর (রাঃ) তাঁর দুইজন ক্রীতদাসীকে মুদাব্বারা করেছিলেন, অতঃপর তিনি উভয়ের সাথে মিলিত হতেন অথচ তারা উভয়ে ছিল মুদাব্বারা।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫০২-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: মুদাব্বারা। এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর একটি আমল এসেছে। তিনি তাঁর দুইজন ক্রীতদাসীকে মুদাব্বারা করেছিলেন, তারপরও তাঁদের সঙ্গে মিলিত হতেন। হাদিসের ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এখান থেকে শুধু এতটুকুই বোঝা যায় যে মুদাব্বারা হওয়া সত্ত্বেও তারা তখনও তাঁর মালিকানার অধীনে ছিল। তাই মুদাব্বারা দাসীর বিধান নিয়ে যারা খোঁজ করেন, তাদের জন্য এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে বিক্রি, দান বা সন্তানের বিধান বলা হয়নি; সেসব আলাদা বর্ণনায় এসেছে। তাই এই হাদিস ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অতিরিক্ত দাবি না করে মূল কথাই রাখা উচিত: মুদাব্বারা করা মানে তাৎক্ষণিক পূর্ণ আযাদ হয়ে যাওয়া নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুদাব্বারা দাসী তখনও কর্তার মালিকানার অধীনে থাকতে পারে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে অতিরিক্ত বিধান বের করতে সতর্ক থাকা উচিত।
- ইবনু উমার (রা)-এর আমল মুদাব্বারার বাস্তব ব্যবহার বোঝাতে সাহায্য করে।
