৪৭/১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬১৭ - নৈতিকতা পূর্ণ করার নববী মিশন
সৎস্বভাব প্রসঙ্গ
উত্তম নৈতিকতা: নবীজির আগমনের বড় উদ্দেশ্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৬১৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৬১৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ قَدْ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ حُسْنَ الْأَخْلَاقِ
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর কাছে এই খবর পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, আমি নৈতিকতাকে পূর্ণতা দান করবার জন্য নবী হয়ে আগমন করেছি। [১]
[১] এই হাদীসটি আহমাদ, হাকিম ও তিবরানী আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি গভীর কথা এসেছে—আমি নৈতিকতাকে পূর্ণতা দান করার জন্য নবী হয়ে এসেছি। এতে ইসলামে আখলাকের গুরুত্ব স্পষ্ট হয়। মানুষ শুধু বিশ্বাস বা ইবাদতের কথাই শুনবে না; তার চরিত্রেও সেই দ্বীনের ছাপ দেখা যাবে। সত্য বলা, ওয়াদা রাখা, নম্র হওয়া, অন্যকে কষ্ট না দেওয়া, মানুষের অধিকার মানা—এসব উত্তম নৈতিকতার অংশ। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, নবীজির শিক্ষা মানুষের ভেতর ও বাইরের জীবনকে সুন্দর করতে এসেছে। তাই একজন মুসলিমের জন্য ভালো চরিত্র কোনো বাড়তি বিষয় নয়; এটি দ্বীনের মূল সৌন্দর্যের সাথে জড়িত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উত্তম নৈতিকতা নবীজির শিক্ষার বড় অংশ।
- ইমান ও ইবাদতের প্রভাব চরিত্রে দেখা উচিত।
- মানুষকে কষ্ট না দেওয়া ভালো আখলাকের অংশ।
- নৈতিকতা সুন্দর করা মুসলিম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
