৫৪/৮. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৫৭ - ঘর, স্ত্রীলোক ও ঘোড়ার অশুভ প্রসঙ্গ
অশুভ হতে বেঁচে থাকা প্রসঙ্গ
ঘর, স্ত্রীলোক ও ঘোড়ার অশুভ বিষয়—হাদিসের সীমিত বক্তব্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৭৫৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৭৫৭
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حَمْزَةَ وَسَالِمٍ ابْنَيْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الشُّؤْمُ فِي الدَّارِ وَالْمَرْأَةِ وَالْفَرَسِ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, ঘর, স্ত্রীলোক ও ঘোড়া (অর্থাৎ এই তিন বস্তুতে) অশুভ বিষয় আছে।
(বুখারী ৫০৯৩, মুসলিম ২২২৫)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঘর, স্ত্রীলোক ও ঘোড়ায় অশুভ বিষয় আছে। বর্ণনাটি ছোট, তাই এর ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার। এখানে তিনটি বিষয়ের নাম এসেছে, কিন্তু এই বর্ণনায় বিস্তারিত কারণ বা প্রয়োগের নিয়ম বলা হয়নি। তাই এটি দিয়ে কাউকে অপমান করা, নারীকে দোষারোপ করা, বা সব ঘর-ঘোড়া নিয়ে কুসংস্কার বানানো ঠিক নয়। ইসলামী স্কলারদের মতে, একই বিষয়ের অন্যান্য বর্ণনার আলোকে এ ধরনের হাদিস বুঝতে হয়। এই নির্দিষ্ট হাদিস থেকে অন্তত এতটুকু শিক্ষা পাওয়া যায় যে, জীবনের কিছু জিনিস মানুষের জন্য অস্বস্তি বা ক্ষতির কারণ হতে পারে; তবে তা বোঝার ক্ষেত্রে হাদিসের সীমা মানা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক নয়।
- নারী, ঘর বা ঘোড়াকে সাধারণভাবে দোষারোপ করা হাদিসের উদ্দেশ্য নয়।
- একই বিষয়ের অন্যান্য বর্ণনা মিলিয়ে বুঝতে হয়।
- কুসংস্কার নয়, বরং সতর্ক ও ভারসাম্যপূর্ণ বোঝাপড়া দরকার।
