৫৬/৭. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৯৯ - সত্য, আমানতদারি ও অনর্থক কাজ ত্যাগ
সত্য ও মিথ্যা কথা বলা প্রসঙ্গে
সত্য, আমানতদারি ও অনর্থক কাজ ত্যাগের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৭৯৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৭৯৯
و حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّهُ قِيلَ لِلُقْمَانَ مَا بَلَغَ بِكَ مَا نَرَى يُرِيدُونَ الْفَضْل فَقَالَ لُقْمَانُ صِدْقُ الْحَدِيثِ وَأَدَاءُ الْأَمَانَةِ وَتَرْكُ مَا لَا يَعْنِينِي
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
লুকমান (আঃ)-এর নিকট কেউ জিজ্ঞেস করল, কিসের কারণে আপনি এই এত বুযুর্গী পেলেন? লুকমান (আঃ) বললেন, সত্য কথা বলা, আমানতদারী এবং অনর্থক কাজ পরিহার করার কারণে।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় লুকমান (আ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি কী কারণে এই মর্যাদা লাভ করেছেন। তিনি তিনটি বিষয় উল্লেখ করলেন—সত্য কথা বলা, আমানত আদায় করা এবং যে কাজ তাঁর নয় বা দরকারি নয় তা ছেড়ে দেওয়া। এই কথাগুলো ছোট হলেও চরিত্র গঠনের জন্য খুব বড় শিক্ষা। সত্য কথা মানুষকে বিশ্বাসযোগ্য করে। আমানতদারি মানুষের দায়িত্ববোধ দেখায়। আর অনর্থক কাজ ছেড়ে দিলে সময়, মন ও আমল ভালো কাজে লাগানো সহজ হয়। এখানে বাহ্যিক দেখানো নয়, বরং ভেতরের চরিত্রের কথা এসেছে। একজন মুমিন যদি নিজের কথা সত্য রাখে, অন্যের হক ঠিকমতো দেয় এবং অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়ায় না, তবে তার জীবন বেশি শৃঙ্খলাপূর্ণ হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সত্য কথা বলা মর্যাদার একটি বড় কারণ।
- আমানত রক্ষা করা চরিত্রের গুরুত্বপূর্ণ গুণ।
- অপ্রয়োজনীয় কাজ ছেড়ে দেওয়া সময় ও আমলকে ভালো রাখে।
- ভালো চরিত্র ছোট ছোট নিয়মিত আমলের মাধ্যমে গড়ে ওঠে।
