৫/১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২২২ - সাবালকের জন্য জুমার গোসল
জুম‘আ দিবসের গোসল
জুমার দিনের গোসল: প্রত্যেক সাবালকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২২২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২২২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ غُسْلُ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ.
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জুমার দিনের গোসল প্রত্যেক সাবালক ব্যক্তির উপর ওয়াজিব।
(বুখারী ৮৭৯, মুসলিম ৮৪৬)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জুমার দিনের গোসল প্রত্যেক সাবালক ব্যক্তির উপর ওয়াজিব। তাই জুমার গোসলের হাদিস খুঁজলে এই বর্ণনাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মূল বিষয় হলো জুমার নামাজে যাওয়ার আগে নিজেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা। জুমার দিন মুসলিমরা একত্র হয়, খুতবা শোনে এবং নামাজ আদায় করে। এই সমাগমে পরিচ্ছন্নতা ও শরীরের যত্ন ইসলামের সুন্দর শিক্ষার অংশ। হাদিসে ‘সাবালক’ বলা হয়েছে, তাই দায়িত্বের কথা স্পষ্টভাবে এসেছে। এর বাইরে অতিরিক্ত শর্ত বা ব্যাখ্যা এই পাঠে নেই। সহজভাবে বলা যায়, জুমার দিন শুধু নামাজের জন্য নয়, নিজের পরিষ্কার অবস্থার দিকেও মনোযোগ দেওয়ার দিন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিনে গোসল করা সাবালক ব্যক্তির জন্য বিশেষভাবে নির্দেশিত।
- জুমার নামাজের আগে শরীর পরিষ্কার রাখা ইসলামী আদবের অংশ।
- হাদিসটি জুমার দিনের প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দিতে শেখায়।
- জুমার সমাবেশে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা মুসলিমের ভালো অভ্যাস।
