৫/২. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২২৪ - জুমার খুতবায় নীরব থাকার আদব

জুম‘আ দিবসে ইমামের খুতবা পাঠ করার সময় চুপ থাকার বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে

জুমার খুতবায় নীরবতা: ‘চুপ থাকুন’ বলারও সতর্কতা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২২৪

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ أَنْصِتْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَدْ لَغَوْتَ.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন জুমার দিন ইমাম যখন খুতবা প্রদান করেন, তুমি তোমার সাথীকে (পার্শ্ববর্তী লোক) যদি বল, ‘চুপ থাকুন!’ তবে তুমি অলাভজনক কথা বললে।

(বুখারী ৯৩৪, মুসলিম ৮৫১)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২২৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জুমার খুতবা শোনার আদব খুব সূক্ষ্মভাবে শেখানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইমাম যখন জুমার দিন খুতবা দেন, তখন তুমি যদি তোমার সাথীকে ‘চুপ থাকুন’ বল, তবুও তুমি অলাভজনক কথা বললে। সাধারণভাবে কাউকে চুপ থাকতে বলা ভালো মনে হতে পারে, কিন্তু খুতবার সময় মূল কাজ হলো নিজে চুপ থাকা ও মন দিয়ে খুতবা শোনা। তাই এই হাদিসে জুমার খুতবার সময় কথা না বলা, অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য এড়িয়ে চলা এবং ইমামের বক্তব্যের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার শিক্ষা আছে। ‘জুমার খুতবায় কথা বলা’ বিষয়ে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাদিস। এর বার্তা হলো—খুতবার সময় মুখের নীরবতা ও মনের মনোযোগ দুটোই জরুরি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইমাম খুতবা দিলে কথা বলা থেকে বিরত থাকা উচিত।
  • খুতবার সময় কাউকে ‘চুপ থাকুন’ বলাও অনর্থক কথার মধ্যে পড়ে।
  • জুমার খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা জুমার গুরুত্বপূর্ণ আদব।
  • ভালো উদ্দেশ্য থাকলেও খুতবার সময় কথা এড়িয়ে চলতে হবে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন