১৪/১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৪০ - শৌচকার্যে কিবলার আদব
শৌচকার্যে গমন করলে তখন কিবলাকে সামনে রাখা নিষেধ
শৌচকার্যে কিবলার আদব: সামনে বা পেছনে না করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪৪০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৪০
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ إِسْحَقَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ رَافِعِ بْنِ إِسْحَقَ مَوْلًى لِآلِ الشِّفَاءِ وَكَانَ يُقَالُ لَهُ مَوْلَى أَبِي طَلْحَةَ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيَّ صَاحِبَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ بِمِصْرَ يَقُوْلُ، وَاللهِ مَا أَدْرِي كَيْفَ أَصْنَعُ بِهَذِهِ الْكَرَابِيسِ وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا ذَهَبَ أَحَدُكُمْ الْغَائِطَ أَوْ الْبَوْلَ فَلَا يَسْتَقْبِلِ الْقِبْلَةَ وَلَا يَسْتَدْبِرْهَا بِفَرْجِهِ.
রাফি’ ইবনু ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর সাহাবী আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ)-কে আমি মিসরে বলতে শুনেছি আল্লাহর কসম, আমি জানি না এই শৌচাগারগুলি কি করব। অথচ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি শৌচকার্যের জন্য যায় তবে কেবলাকে সামনেও করবে না এবং পেছনেও করবে না।
(বুখারী ১৪৪, মুসলিম ২৬৪)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ আইয়ূব আনসারী (রাঃ)-এর মাধ্যমে শৌচকার্যে কিবলার আদব এসেছে। তিনি মিসরে অবস্থানকালে বলেন, এই শৌচাগারগুলোর ব্যাপারে তিনি কী করবেন বুঝতে পারছেন না; কারণ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ শৌচকার্য বা পেশাবের জন্য গেলে কিবলাকে সামনে করবে না এবং পেছনেও করবে না। হাদিসটির মূল শিক্ষা খুব পরিষ্কার: কিবলার প্রতি সম্মান রাখতে শৌচকর্মের সময় তার দিকে মুখ করা বা পিঠ দেওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ এসেছে। এখানে আবূ আইয়ূব (রাঃ)-এর বাস্তব অসুবিধার কথাও আছে, কারণ কিছু শৌচাগারের দিক এমন হতে পারে যা এই নির্দেশ মানতে কঠিন করে। তবুও বর্ণনাটি কিবলার আদব ও সম্মানের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শৌচকার্যে কিবলাকে সামনে করা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
- শৌচকার্যে কিবলাকে পেছনে করাও নিষেধ হিসেবে এসেছে।
- কিবলার প্রতি সম্মান দৈনন্দিন আদবের অংশ।
- সাহাবিরা বাস্তব পরিস্থিতিতেও নবীজি (সা.)-এর নির্দেশ মনে রাখতেন।
