১৪/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৪৭ - কিবলার দিক নির্ণয়ের সহজ শিক্ষা
কিবলার বর্ণনা
কিবলার দিক নির্ণয়: বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করার সহজ নির্দেশনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪৪৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৪৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ، مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ قِبْلَةٌ إِذَا تُوُجِّهَ قِبَلَ الْبَيْتِ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করলেই হয়, পূর্বে ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান কেবলা বলে গণ্য করা হয়। (মদীনা হতে মক্কা দক্ষিণ-পশ্চিমে, পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান বলতে এটাই বুঝানো হয়েছে।)
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করা হলে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান কিবলা হিসেবে গণ্য। অনুবাদে ব্যাখ্যা এসেছে, মদীনা থেকে মক্কা দক্ষিণ-পশ্চিমে হওয়ায় পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থান বলতে সেই দিক বোঝানো হয়েছে। এই হাদিস বা সাহাবী বাণীর মূল শিক্ষা হলো কিবলার দিক নির্ণয়ে বাস্তব দিকবোধের গুরুত্ব। নামাজে কিবলার দিকে মন দেওয়া দরকার, তবে এখানে কথাটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থার সঙ্গে বলা হয়েছে। তাই কিবলার দিক নিয়ে আলোচনা করলে নিজের অবস্থান ও বায়তুল্লাহর দিক বিবেচনা করা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজে বায়তুল্লাহর দিকে মুখ করা গুরুত্বপূর্ণ।
- কিবলার দিক বুঝতে নিজের অবস্থান বিবেচনা করতে হয়।
- সাহাবীরা কিবলার দিক নিয়ে সহজ ভাষায় নির্দেশনা দিয়েছেন।
