১৫/৩. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৫৬ - রাতের তিলাওয়াত ছুটে গেলে করণীয়
তাহযিবুল কুরআন
রাতের তিলাওয়াত ছুটে গেলে: যোহরের আগে পড়ে নেওয়ার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪৫৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪৫৬
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ، مَنْ فَاتَهُ حِزْبُهُ مِنْ اللَّيْلِ فَقَرَأَهُ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ إِلَى صَلَاةِ الظُّهْرِ فَإِنَّهُ لَمْ يَفُتْهُ أَوْ كَأَنَّهُ أَدْرَكَهُ.
আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদুল ক্বারী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেছেন, উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলেন, যার রাত্রের (নির্দিষ্ট তিলাওয়াতের) অংশ ছুটে যায়, সে উহা যোহরের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত (সময়ে) পড়ে নিবে; তবে তার সে ওযীফা যেন ছুটেনি (রাবী বলেন) অথবা তিনি বলেছেন, যেন তা পূর্ণ করেছে।
(সহীহ, মুসলিম ৭৪৭)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, যার রাতের নির্দিষ্ট তিলাওয়াতের অংশ ছুটে যায়, সে তা সূর্য ঢলার সময় থেকে যোহরের নামাজের আগে পড়ে নেবে। রাবীর ভাষায় এসেছে, তাহলে যেন তার সেই ওযীফা ছুটেনি, অথবা যেন তা পূর্ণ করেছে। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো নিয়মিত কুরআন পাঠের প্রতি যত্ন। রাতের তিলাওয়াত কোনো কারণে না হলে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে তা পড়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, কুরআন তিলাওয়াতে নিয়ম রাখা মূল্যবান। তবে হাদিসের ভাষার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের নির্দিষ্ট তিলাওয়াত ছুটে গেলে তা পড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত।
- কুরআন পাঠে নিয়মিততা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
- ছুটে যাওয়া আমল পূরণে সচেতনতা রাখা ভালো।
