১৬/১৫. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫৪৭ - কবর ও মৃতের সম্মান রক্ষার সতর্কতা
কাফন চুরির সাজা
কবরের সম্মান: কাফন-চোরের ওপর লা’নতের হাদিস
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৫৪৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৫৪৭
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الرِّجَالِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أُمِّهِ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُ سَمِعَهَا تَقُوْلُ، لَعَنَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُخْتَفِيَ وَالْمُخْتَفِيَةَ يَعْنِي نَبَّاشَ الْقُبُوْرِ.
আবূ রিজাল মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) তাঁর মাতা আমরা বিনতে আবদুর রহমান (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁকে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কাফন-চোর পুরুষ এবং নারীকে লানত করেছেন।
(সহীহ, বাইহাকী ৮/২৭০। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলাতুস সহীহা ২১৪৭])
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কাফন-চোর পুরুষ ও নারীকে লা’নত করেছেন। অর্থাৎ কবর খুঁড়ে মৃতের কাফন বা সম্পদ নেওয়া খুব গুরুতর অন্যায়। “কবরের সম্মান” ইসলামে শুধু জীবিত মানুষের অনুভূতির বিষয় নয়; মৃত মুসলিমের মর্যাদাও রক্ষা করতে হয়। কবর মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল, সেখানে লোভ, চুরি ও অপমানের জায়গা নেই। হাদিসটি আমাদের শেখায়, মৃত ব্যক্তির অধিকার আছে এবং তার দেহ, কাফন ও কবরের প্রতি সম্মান দেখানো জরুরি। যারা জানাযা, কবর ও মৃতের আদব জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস একটি কঠোর সতর্কবার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মৃত ব্যক্তির কাফন চুরি করা বড় অন্যায় হিসেবে এসেছে।
- কবরের সম্মান রক্ষা করা মুসলিম সমাজের দায়িত্ব।
- মৃতের প্রতি অসম্মান জীবিত মানুষের অধিকার নষ্ট করার মতোই গুরুতর হতে পারে।
- লোভের কারণে কবর বা মৃতের অধিকার লঙ্ঘন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
