১৭/২৩. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫৯৬ - দাস-দাসী ও ঘোড়ার যাকাত নেই
দাস-দাসী, ঘোড়া ও মধুর যাকাত
মুসলিমের ঘোড়া ও দাস-দাসীর উপর যাকাত নেই
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৫৯৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৫৯৬
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِ فِي عَبْدِهِ وَلَا فِي فَرَسِهِ صَدَقَةٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মুসলমান ব্যক্তির দাস-দাসী এবং ঘোড়ার যাকাত ধার্য হয় না।
(বুখারী ১৪৬৪, মুসলিম ৯৮২)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সংক্ষিপ্তভাবে বলেছেন, মুসলমান ব্যক্তির দাস-দাসী এবং ঘোড়ার উপর যাকাত ধার্য হয় না। এখানে মূল বিষয় হলো, সব মাল একইভাবে যাকাতযোগ্য নয়। কিছু সম্পদ আছে যা মালিকের ব্যক্তিগত ব্যবহার বা প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত; সেগুলোর ওপর সাধারণ যাকাত ধার্য করা হয়নি। হাদিসটি বিশেষভাবে দাস-দাসী ও ঘোড়ার কথা বলেছে, তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে রাখা উচিত। যাকাতের আলোচনায় অনেকেই ভাবতে পারেন, মালিকানাধীন সবকিছুর ওপর যাকাত হবে। কিন্তু এই বর্ণনা দেখায়, যাকাতের সম্পদের ধরন আলাদা করে জানা দরকার। কোন সম্পদে যাকাত আছে, কোন সম্পদে নেই—এটি শরীয়তের নির্দিষ্ট নির্দেশের ওপর নির্ভর করে। তাই যাকাতের হিসাব করতে গেলে শুধু মোট সম্পদ দেখলেই হবে না; সম্পদের প্রকৃতি ও যাকাতযোগ্যতা বুঝতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসলমানের ঘোড়া ও দাস-দাসীর উপর যাকাত নেই—এ কথা হাদিসে স্পষ্ট।
- সব মাল একইভাবে যাকাতযোগ্য নয়।
- যাকাতের হিসাবের সময় সম্পদের ধরন জানা জরুরি।
- ব্যক্তিগত ব্যবহারের সম্পদ ও যাকাতযোগ্য সম্পদের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে।
