২/৭. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৮ - পাগড়ির উপর মাসেহ ও মাথা মাসেহ
মাথা ও দুই কান মাসেহ-এর বর্ণনা
পাগড়ির উপর মাসেহ নয়, মাথা মাসেহের গুরুত্ব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৮
و حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ الْأَنْصَارِيَّ سُئِلَ عَنْ الْمَسْحِ عَلَى الْعِمَامَةِ فَقَالَ لَا حَتَّى يُمْسَحَ الشَّعْرُ بِالْمَاءِ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)-কে মসহ আলাল ইসাবাহ (পাগড়ির উপর হাত বুলাইয়া যাওয়া) সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেন, না, (এটা যথেষ্ট নয়) যতক্ষণ পানি দ্বারা চুল মাসেহ করা না হয়।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)-কে পাগড়ির উপর মাসেহ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, না; যতক্ষণ পানি দিয়ে চুল মাসেহ করা না হয়। অর্থাৎ এখানে মাথার চুলে পানি পৌঁছিয়ে মাসেহ করার কথাই গুরুত্ব পেয়েছে। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে গিয়ে সব অবস্থার বিস্তৃত আলোচনা করা উচিত নয়। তবে মূল শিক্ষা পরিষ্কার: ওযূর মাথা মাসেহকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। বাহ্যিক আবরণ থাকলে সেটি সরিয়ে মাথায় পানি দিয়ে মাসেহ করার দিকটি এখানে এসেছে। পবিত্রতার আমলে সহজতা আছে, কিন্তু নির্দিষ্ট অঙ্গের অধিকারও ঠিকভাবে আদায় করতে হয়। যারা ওযূর সময় মাথা মাসেহ করেন, তাঁদের জন্য এই বর্ণনা একটি সতর্ক স্মরণ: আবরণ নয়, মূল অঙ্গের মাসেহকে গুরুত্ব দিতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মাথা মাসেহ ওযূর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- পাগড়ির উপর মাসেহ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে চুলে পানি পৌঁছানোর কথা এসেছে।
- ওযূর অঙ্গগুলো ঠিকভাবে আদায় করা দরকার।
