২০/৩২. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৯৪ - অসুস্থতায় হজ্জ আটকে গেলে বিধান
শত্রু ব্যতীত অন্য কোন কারণে বাধাপ্রাপ্ত হলে কি করণীয়
অসুস্থতায় হজ্জ আটকে গেলে তাওয়াফ ও সা'য়ীর বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৯৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৯৪
حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ: الْمُحْصَرُ بِمَرَضٍ لَا يَحِلُّ حَتَّى يَطُوفَ بِالْبَيْتِ وَيَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَإِذَا اضْطُرَّ إِلَى لُبْسِ شَيْءٍ مِنْ الثِّيَابِ الَّتِي لَا بُدَّ لَهُ مِنْهَا أَوْ الدَّوَاءِ صَنَعَ ذَلِكَ وَافْتَدَى.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অসুস্থতার কারণে যদি কারো যাত্রা বাধাপ্রাপ্ত হয় তবে তাওয়াফ ও সাফা মারওয়ার সা’য়ী করা ব্যতীত সে হালাল হবে না। কোন কাপড় বা ঔষধ ব্যবহার করার প্রয়োজন হলে (যা ইহরাম অবস্থায় জায়েয নয়) তা ব্যবহার করবে এবং উহার ফিদইয়া দেবে।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় অসুস্থতার কারণে হজ্জ বা উমরার যাত্রা বাধাপ্রাপ্ত হলে কী করতে হবে, তা বলা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, অসুস্থতার কারণে কেউ বাধাপ্রাপ্ত হলে তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার সা'য়ী না করা পর্যন্ত সে হালাল হবে না। অর্থাৎ শত্রুর বাধা ও অসুস্থতার বাধা একভাবে দেখা হয়নি। যদি এমন কাপড় বা ওষুধ ব্যবহার করতে হয় যা ইহরাম অবস্থায় সাধারণত ব্যবহারযোগ্য নয়, তবে প্রয়োজন হলে তা ব্যবহার করবে এবং ফিদইয়া দেবে। এই হাদিসে অসুস্থ মুহরিম, ইহরামে চিকিৎসা, ফিদইয়া, তাওয়াফ ও সা'য়ী—সব বিষয় সহজভাবে এসেছে। মূল শিক্ষা হলো, অসুস্থতার দরকার পূরণ করা যাবে, কিন্তু ইহরাম খোলার নিয়মও মানতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অসুস্থতার বাধায় তাওয়াফ ও সা'য়ী ছাড়া হালাল হওয়ার কথা আসেনি।
- প্রয়োজনে কাপড় বা ওষুধ ব্যবহার করা যাবে, তবে ফিদইয়ার কথা এসেছে।
- শত্রুর বাধা ও অসুস্থতার বাধার হুকুম আলাদা হতে পারে।
- ইহরামের বিধানে প্রয়োজনের জায়গায় সহজতা আছে।
