২০/৪৪. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮২৮ - আইয়ামে তাশরীকে রোজা নিষেধ

মিনা‘র দিবসগুলোর রোযা

আইয়ামে তাশরীকে রোজা নিষেধ: মিনার দিনগুলোর শিক্ষা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮২৮

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي النَّضْرِ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ صِيَامِ أَيَّامِ مِنًى.

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আইয়্যামে তাশরীকে রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন। [১]

[১] কুরবানীর ঈদের পর তিনদিন (১৩ তারিখ পর্যন্ত) হল আইয়্যামে তাশরীক।(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

অনুবাদের উৎস

সংকলক:
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮২৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আইয়ামে তাশরীক বা মিনার দিনগুলোতে রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর নির্দেশ পরিষ্কার। হজ্জের দিনগুলোতে কিছু সময় এমন আছে, যখন রোজা নয় বরং আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত গ্রহণ এবং তাঁর স্মরণ করার দিকটি সামনে আসে। তাই আইয়ামে তাশরীক রোজা নিষেধ বিষয়টি জানলে মানুষ ভুল করে ঐ দিনগুলোতে নফল রোজা রাখার প্রবণতা থেকে বাঁচতে পারে। এই হাদিসে অতিরিক্ত কোনো ব্যাখ্যা নেই; শুধু নিষেধাজ্ঞাটিই সরাসরি এসেছে। তাই ব্যাখ্যাতেও মূল কথায় থাকা উচিত—মিনার দিনগুলো রোজার দিন হিসেবে নয়, বরং হজ্জের নির্দিষ্ট আমল ও আল্লাহর স্মরণের দিনের সঙ্গে যুক্ত। তাই দিনগুলোর পরিচয় জানা আমলের শুদ্ধতার জন্য সহায়ক হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মিনার দিনগুলোতে রোজা রাখতে নবীজি নিষেধ করেছেন।
  • আইয়ামে তাশরীক সম্পর্কে জানলে রোজার দিন নির্বাচন সহজ হয়।
  • সব ইবাদত সব সময়ের জন্য নয়; সময়ভেদে নির্দেশ ভিন্ন হতে পারে।
  • হাদিসের সরাসরি নিষেধাজ্ঞাকে গুরুত্ব দিয়ে মানা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন