২০/৭১. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯১০ - অসুস্থ ও শিশুর পক্ষ থেকে রমী

কঙ্কর নিক্ষেপ করা

অসুস্থ ও শিশুর পক্ষ থেকে কঙ্কর নিক্ষেপের আলোচনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯১০

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ مِنْ أَيْنَ كَانَ الْقَاسِمُ يَرْمِي جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ فَقَالَ مِنْ حَيْثُ تَيَسَّرَ ১৫৩৪-قَالَ يَحْيَى سُئِلَ مَالِك هَلْ يُرْمَى عَنْ الصَّبِيِّ وَالْمَرِيضِ فَقَالَ نَعَمْ وَيَتَحَرَّى الْمَرِيضُ حِينَ يُرْمَى عَنْهُ فَيُكَبِّرُ وَهُوَ فِي مَنْزِلِهِ وَيُهَرِيقُ دَمًا فَإِنْ صَحَّ الْمَرِيضُ فِي أَيَّامِ التَّشْرِيقِ رَمَى الَّذِي رُمِيَ عَنْهُ وَأَهْدَى وُجُوبً.১৫৩৫- قَالَ مَالِك لَا أَرَى عَلَى الَّذِي يَرْمِي الْجِمَارَ أَوْ يَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَهُوَ غَيْرُ مُتَوَضٍّ إِعَادَةً وَلَكِنْ لَا يَتَعَمَّدُ ذَلِكَ اااا

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) কোথা হতে জামরা-ই-আকাবার কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন? তিনি বললেন, যে স্থান হতে সুবিধা এবং সহজ হত সেই স্থান হতেই তিনি উক্ত সময় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল অসুস্থ ও শিশুদের তরফ হতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা যায় কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, ইহা জায়েয। তবে অসুস্থ ব্যক্তির কঙ্কর নিক্ষেপের সময় অনুমান করে স্বীয় স্থানে থেকেই ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এবং একটি কুরবানী করবে। আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যে যদি সুস্থ হয়ে পড়ে তবে নিজে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে এবং একটি কুরবানী দিবে।মালিক (রহঃ) বলেন, ওজু ব্যতীত কঙ্কর নিক্ষেপ করলে বা সা’য়ী করলে উহা পুনরায় আদায় করতে হবে না বটে কিন্তু জেনে শুনে এইরূপ করা উচিত নয়।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯১০-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় কঙ্কর নিক্ষেপ সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয় এসেছে। কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) জামরা-ই-আকাবায় যে স্থান থেকে সুবিধা ও সহজ হতো, সেই স্থান থেকেই কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। এরপর ইমাম মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়, অসুস্থ ব্যক্তি ও শিশুর পক্ষ থেকে কঙ্কর নিক্ষেপ করা যায় কি না। তিনি বলেন, হ্যাঁ, জায়েয। অসুস্থ ব্যক্তি যখন তার পক্ষ থেকে রমী করা হচ্ছে বলে অনুমান করবে, তখন নিজ স্থানে থেকে ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এবং কুরবানী করবে। আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যে সুস্থ হলে নিজে রমী করবে এবং কুরবানী দেবে। আরও বলা হয়েছে, অযু ছাড়া রমী বা সা’য়ী করলে পুনরায় আদায় করতে হবে না, তবে জেনে শুনে এমন করা উচিত নয়। এই হাদিসে রমীর সহজতা, প্রতিনিধিত্ব এবং আদব একসঙ্গে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • জামরা আকাবায় সহজ জায়গা থেকে রমীর বর্ণনা এসেছে।
  • অসুস্থ ও শিশুর পক্ষ থেকে রমী করার অনুমতির কথা আছে।
  • অসুস্থ ব্যক্তি নিজের স্থানে থেকেও তাকবীর বলার নির্দেশ পেয়েছে।
  • অযু ছাড়া রমী বা সা’য়ী পুনরায় করতে বলা হয়নি, তবে ইচ্ছা করে করা ঠিক নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন