১১/৮৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১০১৫ - সুন্দর স্বরে কুরআন তিলাওয়াত
সুললিত কণ্ঠে কুরআন পাঠ করা
সুন্দর স্বরে কুরআন তিলাওয়াত করার হাদিস
সুনানে আন-নাসায়ী : ১০১৫
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১০১৫
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ الْأَعْمَشِ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ، عَنْ الْبَرَاءِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «زَيِّنُوا الْقُرْآنَ بِأَصْوَاتِكُمْ»
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা সুন্দর স্বরে কোরআন তিলাওয়াত করবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১০১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় সুন্দর স্বরে কুরআন তিলাওয়াত করা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সরাসরি বলেছেন, “তোমরা সুন্দর স্বরে কুরআন তিলাওয়াত করবে।” বর্ণনাটি খুব ছোট, কিন্তু নির্দেশটি পরিষ্কার। এখানে সুন্দর স্বর বলতে কোনো নির্দিষ্ট সুর, কণ্ঠের ধরন বা প্রতিযোগিতার নিয়ম বলা হয়নি। তাই হাদিসের বক্তব্যকে সহজভাবে নেওয়া উচিত—কুরআন পড়ার সময় নিজের কণ্ঠকে যতটা সম্ভব সুন্দর ও শ্রুতিমধুর করা। তবে পাঠের শব্দ, অর্থ বা অন্য কোনো নিয়ম নিয়ে এই হাদিসে আলাদা আলোচনা নেই। “সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত” এবং “কুরআন পাঠ সুন্দর করা”—এই দুইটি শব্দগুচ্ছ হাদিসটির মূল বার্তা প্রকাশ করে। সংক্ষিপ্ত হওয়ার কারণে এতে অতিরিক্ত ফজিলত, পুরস্কার বা শর্ত যোগ করা ঠিক হবে না। হাদিসের সরাসরি শিক্ষা হলো কুরআনকে সুন্দর কণ্ঠে পাঠ করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন সুন্দর স্বরে তিলাওয়াত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- বর্ণনায় কোনো নির্দিষ্ট সুর বা কণ্ঠের ধরন নির্ধারণ করা হয়নি।
- হাদিসটির শিক্ষা সংক্ষিপ্ত ও সরাসরি—কুরআন পাঠকে কণ্ঠ দিয়ে সুন্দর করা।
