১/৩৩. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩৭ - প্রস্রাবরত অবস্থায় সালামের উত্তর না দেওয়া

প্রস্রাবরত ব্যক্তিকে সালাম করা

প্রস্রাবরত অবস্থায় সালামের উত্তর না দেওয়া: আদবের হাদিস

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ৩৭

أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ وَقَبِيصَةُ قَالَا: أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الضَّحَّاكِ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: «مَرَّ رَجُلٌ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَبُولُ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ، فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ السَّلَامَ»

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) প্রস্রাব করছিলেন, এমন সময় এক ব্যক্তি তাঁর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সে তাঁকে সালাম দিল। কিন্তু তিনি (ﷺ) তার সালামের উত্তর দিলেন না।

[১] পেশাবরত ব্যক্তিকে সালাম দেওয়া নিষেধ। তাই সেই সময় উক্ত ব্যক্তির সালামের জবাব দেননি।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ৩৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) প্রস্রাব করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাঁর পাশ দিয়ে যাচ্ছিল এবং তাঁকে সালাম দিল। কিন্তু তিনি (صلى الله عليه وسلم) তার সালামের উত্তর দিলেন না। বর্ণনাটি খুব সরল। এখানে শৌচের সময় সালামের জবাব না দেওয়ার একটি ঘটনার কথা এসেছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, প্রাকৃতিক প্রয়োজনের সময় কথাবার্তা ও সালামের জবাবেরও আদব আছে। তবে হাদিসের বাইরে গিয়ে কঠোর ভাষায় অতিরিক্ত বিধান বলা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, প্রস্রাব-পায়খানার অবস্থায় মানুষ নিজেকে নীরব, পর্দাশীল ও পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত রাখবে। সালাম বড় আদব হলেও প্রতিটি অবস্থার নিজস্ব শিষ্টাচার আছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • প্রস্রাবরত অবস্থায় নবীজি صلى الله عليه وسلم সালামের উত্তর দেননি।
  • শৌচের সময় কথাবার্তার আদব আছে।
  • সালামের মতো ভালো কাজেরও সময় ও অবস্থা বিবেচনা আছে।
  • ব্যক্তিগত প্রয়োজনের সময় নীরবতা ও শালীনতা রাখা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন