৯/১৮০. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৯/১০০৬ - কুরআনের প্রতিটি অক্ষরের সওয়াব
পবিত্র কুরআন পড়ার ফযীলত
কুরআনের প্রতিটি অক্ষর পড়ার সওয়াব
রিয়াদুস সালেহীন : ৯/১০০৬
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৯/১০০৬
وَعَنِ ابنِ مَسعُودٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ: «مَنْ قَرَأ حَرْفاً مِنْ كِتَابِ اللهِ فَلَهُ حَسَنَةٌ، وَالحَسَنَةُ بِعَشْرِ أمْثَالِهَا، لاَ أَقُولُ: الـم حَرفٌ، وَلَكِنْ: ألِفٌ حَرْفٌ، وَلاَمٌ حَرْفٌ، وَمِيمٌ حَرْفٌ».رواه الترمذي، وقال: ( حديث حسن صحيح ))
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব (কোরআন মাজীদ)এর একটি বর্ণ পাঠ করবে, তার একটি নেকী হবে। আর একটি নেকী দশটি নেকীর সমান হয়। আমি বলছি না যে, ’আলিফ-লাম-মীম’ একটি বর্ণ; বরং আলিফ একটি বর্ণ, লাম একটি বর্ণ এবং মীম একটি বর্ণ।” (অর্থাৎ তিনটি বর্ণ দ্বারা গঠিত ’আলিফ-লাম-মীম, যার নেকীর সংখ্যা হবে ত্রিশ।) (তিরমিযী, হাসান)[১]
তিরমিযী ২৯১০
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৯/১০০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরআন তিলাওয়াতের সওয়াব খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি বর্ণ পড়বে, তার জন্য একটি নেকী হবে। আর একটি নেকী দশটি নেকীর সমান হয়। এরপর তিনি বোঝালেন, ‘আলিফ-লাম-মীম’ এক বর্ণ নয়; আলিফ এক বর্ণ, লাম এক বর্ণ, মীম এক বর্ণ। তাই কুরআন পড়ার ছোট অংশও হালকা মনে করা উচিত নয়। প্রতিটি অক্ষরের হিসাবেই সওয়াব আছে। এই হাদিস কুরআন পড়ার আগ্রহ বাড়ায় এবং প্রতিদিন অল্প হলেও তিলাওয়াতের অভ্যাস গড়তে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআনের প্রতিটি অক্ষর পাঠে সওয়াব আছে।
- ছোট তিলাওয়াতও আল্লাহর কাছে মূল্যবান হতে পারে।
- নিয়মিত কুরআন পড়ার অভ্যাস গড়া উচিত।
- কুরআন তিলাওয়াতের সওয়াবকে হালকা মনে করা ঠিক নয়।
