৯/১৯৬. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৪/১১১০ - বিভিন্ন নেক আমলের ফযীলত প্রসঙ্গে
ফজরের দু’ রাকআত সুন্নতের গুরুত্ব
রিয়াদুস সালেহীন : ৪/১১১০
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৪/১১১০
وَعَنْ أَبِي عَبدِ اللهِ بِلاَلِ بنِ رَبَاح رضي الله عنه مُؤَذِّنِ رَسُولِ اللهِ ﷺ: أَنَّهُ أَتَى رَسُولَ اللهِ ﷺ ﷺ لِيُؤْذِنَهُ بِصَلاَةِ الغَدَاةِ، فَشَغَلَتْ عَائِشَةُ بِلالاً بِأَمْرٍ سَأَلَتْهُ عَنْهُ، حَتَّى أَصْبَحَ جِدّاً، فَقَامَ بِلاَلٌ فَآذَنَهُ بِالصَّلاَةِ، وَتَابَعَ أَذَانَهُ، فَلَمْ يَخْرُجْ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ، فَلَمَّا خَرَجَ صَلَّى بِالنَّاسِ، فَأَخْبَرَهُ أَنَّ عَائِشَةَ شَغَلَتْهُ بِأَمْرٍ سَأَلَتْهُ عَنْهُ حَتَّى أَصْبَحَ جِدّاً، وَأنَّهُ أَبْطَأَ عَلَيْهِ بِالخُرُوجِ، فَقَالَ - يَعْنِي النَّبِيَّ ﷺ «إنِّي كُنْتُ رَكَعْتُ رَكْعْتَي الفَجْرِ» فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ ﷺ، إنَّكَ أَصْبَحْتَ جِدّاً؟ فقَالَ: «لَوْ أَصْبَحْتُ أَكْثَرَ مِمَّا أَصْبَحْتُ، لَرَكَعْتُهُمَا، وَأَحْسَنْتُهُمَا وَأَجْمَلْتُهُمَا». رواه أبُو دَاوُدَ بإسناد حسن
আবূ আব্দুল্লাহ বিলাল ইবনে রাবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ আব্দুল্লাহ বিলাল ইবনে রাবাহ- যিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুয়াজ্জিন ছিলেন।- (একবার) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ফজরের নামাযের খবর দেবার মানসে তাঁর নিকট হাযির হলেন। তখন আয়েশা (রাঃ) তাঁকে এমন বিষয়ে ব্যস্ত রাখলেন, তিনি যে সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভোর খুব বেশি পরিস্ফুট হয়ে পড়ল, সুতরাং বিলাল দাঁড়িয়ে নবী (ﷺ)-কে নামাযের খবর দিলেন এবং বারংবার জানাতে থাকলেন। কিন্তু তিনি বাইরে আসলেন না।(তার কিছুক্ষণ পর) তিনি আসলেন ও লোকদেরকে নিয়ে নামায পড়লেন। তখন বিলাল (রাঃ) নবী (ﷺ)-কে জানালেন যে, আয়েশা (রাঃ) তাঁকে এমন বিষয়ে ব্যস্ত রেখেছিলেন, যে সম্পর্কে তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন। শেষ পর্যন্ত খুব ফর্সা হয়ে গেল এবং তিনিও বাইরে আসতে দেরি করলেন। তিনি (নবী (ﷺ)) বললেন, “আমি ফজরের দু’ রাকআত সুন্নত পড়ছিলাম।” বিলাল বললেন, ’হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো একদম সকাল করে দিলেন।’ তিনি বললেন, “তার চেয়েও বেশি সকাল হয়ে গেলেও, আমি ঐ দু’ রাকআত সুন্নত পড়তাম এবং সুন্দর ও উত্তমরূপে পড়তাম।” (আবূ দাউদ, হাসান সূত্রে)[১]
আবূ দাউদ ১২৫৭, আহমাদ ২৩৩৯৩
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুহিউদ্দীন আবূ যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া বিন শারফ আন্-নাবাবী (রহ.)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
